Around the Media

04 May 2013: ‘কালো টাকার উৎস নির্মূল করতে রাজনৈতিক অঙ্গিকার অপরিহার্য’

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: ইক্যুইটিবিডি আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা কালো টাকার উৎস বন্ধ করতে রাজনৈতিক নেতাদের অঙ্গিকার দাবি করেন। তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের সংঘাতপূর্ণ রাজনীতিই মূলত পুঁজি পাচারের জন্য দায়ী যা দেশে একটা নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে চলেছে। বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ১.৮ বিলিয়ন ডলারের পুঁজি পাচার হয়ে যাচ্ছে যা আমাদের প্রতি বছর প্রাপ্ত ১.২ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তার চেয়ে অনেক বেশি।
আজ ঢাকার জাতীয় প্রেসকাবে অনুষ্ঠিত সেমিনারের শিরোনাম ছিল “কালো টাকার রাজনৈতিক অর্থনীতি: অপ্রদর্শিত অর্থনীতি, জাতীয় বাজেট ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ” যেখানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ইক্যুইটিবিডি’র রেজাউল করিম চৌধুরী। অন্যান্য বক্তার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ডা. এম এ মান্নান, এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক আবু আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধ্যাপক মাহবুবে রশিদ, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি খাজা মাইন উদ্দিন, একশন এইডের জনাব আসগর আলী সাবরি, টিআইবি’র জনাব জাকির হোসেন খান, ডবি−উবিবি ট্রাস্টের জনাব মাহবুবে আলম, অনলাইন নলেজ সোসাইটির জনাব প্রদীপ কুমার রায়।
সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইক্যুইটিবিডি’র জনাব আহসানুল করিম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দণি এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই কালো টাকার শতকরা হার সর্বাধিক যা প্রায় ৩৮% যেখানে ভারতে এটি ২৩%। বাংলাদেশ কালো টাকা নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের পদপে গ্রহণের জন্য ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারে, এবং এর মাধ্যমে রাজস্ব বাড়ানোর জন্য সরাসরি করের আওতা বাড়াতে পারে।
অধ্যাপক আবু আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক বর্তমান মতাসীন দলের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য সাংসদদের তাদের ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব দাখিল করা উচিত। তিনি আরো দাবি করেন, বর্তমানের সংসদের উচিত অবিলম্বে বহুল প্রতীতি ফাইন্যানসিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট পাস করা যা নির্ভরযোগ্য অডিট প্রতিবেদন তৈরির জন্য অপরিহার্য। অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, দেশের বর্তমান সংঘাতপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ একটা অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিচ্ছে ফলে বড় পুঁজি বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিদেশী কোম্পানিগুলোর উচিত তারা কতটা মুনাফা এদেশ থেকে বাইরে নিয়ে যাচ্ছে তার ব্যাপারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
টিআইবি’র জাকির হোসেন খান দুদক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বউদ্যোগী নয়। ডাক্তার আসিবার পর রোগী মারা যাবার মতো তারা সব কাজ করেন সময় চলে যাবার পর। তিনি আরো বলেন, আমাদের রাজনীতিকরা যদি অঙ্গিকারাবদ্ধ না হন তাহলে ২০১৫ সালের মধ্যে ১৫% ট্যাক্স জিডিপি রেশিও অর্জন করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না।
ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি খাজা মাইন উদ্দিন বলেন, পরবর্তী বাজেটে কোনওভাবেই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া উচিত হবে না। তিনি বলেন, সৎ করদাতা ও কালো টাকার মালিকের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, সাংসদদের নির্বাচনী ব্যয়ের সীমা বাড়ানো উচিত কারণ এটি বাস্তবসম্মত নয়। ফলে সাংসদরা প্রথমেই একটা মিথ্যা দিয়ে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
আসগর আলী সাবরি বলেন, বাংলাদেশের উচিত অন্যান্য দেশের সাথে চুক্তি করে কর সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করা।
অধ্যাপক এম এ মান্নান এমপি বলেন, সাংসদদের নির্বাচনীয় ব্যয় বাস্তবসম্মত হওয়া উচিত এবং এর সীমা বাড়ানো উচিত। তবে, পরবর্তীতে ব্যয় করা টাকার হিসাব চাওয়া যেতে পারে যাতে নির্বাচনে অনৈতিকভাবে অর্থ ব্যয় রোধ করা যায়।
সেমিনারের সঞ্চালক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমাদের রাজনীতিকদের উচিত অবিলম্বে সংঘাতপূর্ণ রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, যা পুঁজি পাচারের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ।

13 March 2013: ঢাকায় অনলাইনে স্বাধীন মতপ্রকাশ বিষয়ক সভায় বক্তারা : ইন্টারনেট স্বাধীন মতপ্রকাশ মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করে

একটি গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিকল্প নেই। ইন্টারনেটে বা অনলাইনে তথ্য বিনিময়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য খুব জরুরি। জনগণের মতপ্রকাশের অধিকারকে নিয়ন্ত্রণ বা কোণঠাসা করতে পারে এমন কোনো নীতিমালা প্রণয়ন বা বাস্তবায়ন আদৌ কাম্য নয়। ১২ মার্চ ২০১৩ উন্নয়ন ও গবেষণা সংগঠন ভয়েস, বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরাম. ক্যাম্পেইন অন সিটিজেন রাইট টু ইনফরমেশন, ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ, অনলাইন নলেজ সোসাইটি, সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) এবং স্কুল অব কমিউনিকেশনস এন্ড কালচারাল মেটাফিজিক্স- এর যৌথ উদ্যোগে ঢাকার বেস্ট ওয়েস্টার্ন লা ভিঞ্চি হোটেলে ‘অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা : প্রতিবন্ধকতা ও সুযোগ’ শীর্ষক সংলাপ এবং ‘বাংলাদেশে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিস্থিতি’ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশনার আনুষ্ঠানিক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।
ভয়েস’র নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদের সঞ্চালনায় আয়োজিত সংলাপে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক-এর সম্পাদক সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা, ইক্যুইটি বিডি’র প্রধান সঞ্চালক রেজাউল করিম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওহিদুজ্জামান চাঁন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস প্রমুখ।
আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তার ওপর বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ ধারায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেন বাংলাদেশে প্রায় লক্ষাধিক নীতিমালা, বিধি ও আইন থাকলেও এসবের প্রয়োগ খুব কমই হয়। এবং এসব আইনের সঙ্গে প্রায়ই জনগণের সম্পৃক্ততা থাকে না। তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ ইন্টারেনেটে মতপ্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করবে। তিনি জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রাংক লা রুয়ের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন ইন্টারনেট স্বাধীনতায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় পরমত-সহিষ্ণুতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অর্থ এই নয় যে, যা ইচ্ছে তা প্রকাশ করা যাবে। এই স্বাধীনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতাও থাকতে হবে। তিনি তথ্যের শক্তি বিষয়ে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের বক্তব্য উল্লেখ করে বলেন, একটি রাষ্ট্রে যদি তথ্যের স্বাধীনতা থাকে তাহলে তা দুর্ভিক্ষ পর্যন্ত ঠেকিয়ে দিতে পারে।
সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অধিকারের ন্যায় মতপ্রকাশের অধিকার জনগণের মৌলিক অধিকার। এই অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন ও মানুষের মতপ্রকাশের অধিকারের চর্চাকে নিশ্চিত করতে হবে অন্যথায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ স্লোগান অকার্যকর থেকে যাবে।
অধ্যাপক ওহিদুজ্জামান চাঁন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের ১৯ নম্বর ধারা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রতিটি মানুষের মত ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল জাতিগোষ্ঠীর অধিকার জাতিসংঘের মানবাধিকার ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। অধিকার ও দায়িত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মতপ্রকাশের অধিকার যেমন রয়েছে তেমনি অন্যের কথা বলার অধিকারের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীলও হতে হবে।
রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ন্যায়, শান্তি, সমতা ও মানবাধিকার রক্ষার আন্দোলন ও জনগণকে সংগঠিত করতে ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে ঘৃণাসূচক বক্তব্য নয়, বরং এটি দেশে বিশৃঙ্খলাসহ মতপ্রকাশের অধিকারকে খর্ব করে। তিনি মানবাধিকার সমুন্নত করতে অনলাইনে ঘৃণাসূচক বক্তব্য পরিহার করে দায়িত্বশীল এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এছাড়াও সংলাপে আলোচনায় অংশ নেন আয়োজক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ যাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের খায়রুজ্জামান কামাল, নাগরিক উদ্যোগের  মানবেন্দ্র সাহা, সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের শফিকুর রহমান, অনলাইন নলেজ সোসাইটির  প্রদীপ কুমার রায় এবং অ্যাডভোকেট ফারজানা মনি প্রমুখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ ও ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাও এতে অংশ নেয়।

13 March 2013: ইন্টারনেট স্বাধীন মতপ্রকাশ মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করে

স্টাফ রিপোর্টার/এস::একটি গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিকল্প নেই। ইন্টারনেটে বা অনলাইনে তথ্য বিনিময়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য খুব জরুরি। জনগণের মতপ্রকাশের অধিকারকে নিয়ন্ত্রণ বা কোণঠাসা করতে পারে এমন কোন নীতিমালা প্রণয়ন বা বাস্তবায়ন আদৌ কাম্য নয়।
মঙ্গলবার রাজধানীর বেস্ট ওয়েষ্টার্ন লা ভিঞ্চি হোটেলে ‘অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা: প্রতিবন্ধকতা ও সুযোগ’ শীর্ষক সংলাপ এবং “বাংলাদেশে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিস্থিতি” বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশনার আনুষ্ঠানিক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।
উন্নয়ন ও গবেষণা সংগঠন ভয়েস, বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরাম. ক্যাম্পেইন অন সিটিজেন রাইট টু ইনফরমেশন, ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রæপ বাংলাদেশ, অনলাইন নলেজ সোসাইটি, সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) এবং স্কুল অব কমিউনিকেশনস এন্ড কালচারাল মেটাফিজিক্স- এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় ‘ভয়েস’র নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদের সঞ্চালনায় আয়োজিত সংলাপে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক-এর সম্পাদক গোলাম মোর্তোজা, ইক্যুইটি বিডি’র রেজাউল করিম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিÿক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওহিদুজ্জামান চাঁন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস প্রমুখ।
আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তার ওপর বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ ধারায় সুস্পষ্টভাবে উলে¬খ করা হয়েছে। তিনি বলেন বাংলাদেশে প্রায় লÿাধিক নীতিমালা, বিধি ও আইন থাকলেও এসবের প্রয়োগ খুব কমই হয়। এবং এসব আইনের সাথে প্রায়ই জনগণের সম্পৃক্ততা থাকে না। তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ ইন্টারেনেটে মতপ্রকাশকে বাধাগ্র¯Í করবে। তিনি জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রাংক লা রুয়ের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক প্রতিবেদনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন ইন্টারনেট স্বাধীনতায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রয়েছে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় পরমতসহিষুতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রÿার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অর্থ এই নয় যে, যা ইচ্ছে তা প্রকাশ করা যাবে। এই স্বাধীনতার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতাও থাকতে হবে। তিনি তথ্যের শক্তি বিষয়ে অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেনের বক্তব্য উলে¬খ করে বলেন, একটি রাষ্ট্রে যদি তথ্যের স্বাধীনতা থাকে তাহলে তা দুর্ভিক্ষ পর্যন্ত ঠেকিয়ে দিতে পারে।
সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় অধিকারের ন্যায় মতপ্রকাশের অধিকার জনগণের মৌলিক অধিকার। এই অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন ও মানুষের মতপ্রকাশের অধিকারের চর্চাকে নিশ্চিত করতে হবে অন্যথায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ¯ে¬াগান অকার্যকর থেকে যাবে।
রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ন্যায়, শান্তি, সমতা ও মানবাধিকার রক্ষার আন্দোলন ও জনগণকে সংগঠিত করতে ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে। মতপ্রকাশের স্বাধীণতা মানে ঘৃণাসূচক বক্তব্য নয়, বরং এটি দেশে বিশৃঙ্খলাসহ মতপ্রকাশের অধিকারকে খর্ব করে। তিনি মানবাধিকার সমুন্নত করতে অনলাইনে র্ঘণাসূচক বক্তব্য পরিহার করে দায়িত্বশীল এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ভ‚মিকা পালনের আহবান জানান।
এছাড়াও সংলাপে আলোচনায় অংশ নেন আয়োজক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ যাদের মধ্যে ছিলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের খায়রুজ্জামান কামাল, নাগরিক উদ্যোগের  মানবেন্দ্র সাহা, সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের শফিকুর রহমান, অনলাইন নলেজ সোসাইটির  প্রদীপ কুমার রায় এবং এডভোকেট ফারজানা মনি প্রমুখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ ও ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাও এতে অংশ নেয়।

21 November 2012: খুলনায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কর্মশালা

জেলা প্রতিনিধি, বাংলামেইল২৪ডটকম
Wed, 21 Nov, 2012 03:10 PM
খুলনা: জলবায়ু পরিবর্তনে বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় খুলনায় ‘জলবায়ু পরিবর্তন কৌশলপত্র বাস্তবায়নে নাগরিক সমাজের অভিমত’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার নগরীর অ্যাওসেড প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় বক্তারা জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে খুলনাসহ উপকূলীয় অঞ্চল বেশিমাত্রায় ক্ষতগ্রস্ত হলেও এ অঞ্চলের জন্য নেয়া উদ্যোগ খুবই অপ্রতুল। প্রতিবছর বিপুল মানুষ বাস্তুহারা হচ্ছেন। অথচ এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হয়নি।’
এছাড়া জলবায়ু তহবিলের আওতায় নেয়া প্রকল্পের ক্ষেত্রেও খুলনা অঞ্চল বৈষম্যের শিকার হয়েছে বলেও জানান তারা।
বক্তারা বলেন, ‘২০০৯ সালে প্রণীত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশলপত্রটিকে জীবন্ত দলিল বলা হলেও তিন বছরে এর হালনাগাদ করা হয়নি। এ সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার ধরনেও পরিবর্তন হয়েছে।’
বক্তারা উপকূলীয় ঝুঁকির ওপর গুরুত্বারোপ করে জলবায়ু কৌশলপত্র পরিমার্জনের দাবি জানান। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন অনলাইন নলেজ সোসাইটির প্রধান নির্বাহী প্রদীপ কুমার রায়। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, শ্যামল সিংহ রায়, মাহফুজুর রহমান মুকুল, মহেন্দ্রনাথ সেন, স্বপন বসু, সাইফুল ইসলাম মোহন, আমিন আশরাফ, লাভিনা মুক্তা সরকার, মুক্তি বিশ্বাস, কবিতা সরকার, ফারজানা আক্তার, কামাল পাশা, হেলেন খাতুন, মনিরুন্নাহার লুপা, এইচএম আলাউদ্দীন, হাসান মেহেদী, শরিফুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।

undefinedগ্রীনবাংলা নিউজ :

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে খুলনাসহ উপকূলীয় অঞ্চল সবথেকে বেশি ক্ষতির শিকার হলেও এ অঞ্চলের জন্য নেয়া উদ্যোগগুলো খুবই অপ্রতুল। এছাড়া জলবায়ু তহবিলের আওতায় নেয়া প্রকল্পের ক্ষেত্রেও খুলনা অঞ্চল বৈষম্যের শিকার। উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুতির শিকার হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থাপনা গড়ে ওঠেনি। আজ এ্যাওসেড প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন কৌশলপত্র বাস্তবায়নে নাগরিক সমাজের অভিমত’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন।
কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন অনলাইন নলেজ সোসাইটি’র প্রধান নির্বাহী প্রদীপ কুমার রায়। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন পরিবেশ অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্যামল সিংহ রায়, বেলা’র মাহফুজুর রহমান মুকুল, জনউদ্যোগ-এর মহেন্দ্রনাথ সেন, শেড-বাংলাদেশের স্বপন বসু, পিওর হার্ট-এর সাইফুল ইসলাম মোহন, প্রদীপনের আমিন আশরাফ, মাসাস-এর লাভিনা মুক্তা সরকার, এসপিএস-এর মুক্তি বিশ্বাস, দলিত-এর কবিতা সরকার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারজানা আক্তার, ইসলামিক রিলিফের কামাল পাশা, অ্যাওসেড-এর হেলেন খাতুন, মনিরুন্নাহার লুপা, দৈনিক প্রথম আলোর কাজী আব্দুল্লাহ, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের এইচএম আলাউদ্দীন, হিউম্যানিটিওয়াচ-এর হাসান মেহেদী, শরিফুল ইসলাম সেলিম প্রমূখ।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ২০০৯ সালে প্রণীত বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশলপত্রটিকে একটি জীবন্ত দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও বিগত ৩ বছরে এটি হালনাগাদ করা হয় নি। গত তিন বছরে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার ধরনেও পরিবর্তন ঘটেছে। বক্তারা উপকূলীয় ঝুঁকিগুলোর উপর গুরুত্ব আরোপ করে জলবায়ু কৌশলপত্র পরিমার্জনের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, জলবায়ু বাস্তুচ্যুতি মোকাবেলার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

16 August 2012: Comments on the News on Milam urges global efforts to save GB:

Dr. Yunus and Grameen Bank is our internal issue, but frequently the foreigners and outsiders of the country is putting their hands in the internal affairs of our state. It is more frustrating that a few people are watering in inviting the foreigners on the issue of Dr. Yunus and Grameen Bank. If any irregularities or mistreatment  occurs, we the people should resist it internally, But till now, we did not show the courage, but feel soft on foreigners comments and pressure. It is a clear sign to make the nation baseless! We should think it!

15 August 2012: Ensure transparency in disbursing climate fundsRights group urges gov, The Daily Sun; Keep transparency in climate funding, Green activists urge govt, The Daily Independent; Call to ensure transparency in disbursing climate funds, The Daily News Today; Rights group for transparency in climate fund use, The Daily New Nation;

30 May 2012: বাজেটে প্রত্যক্ষ কর বৃদ্ধির প্রস্তাব

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আসন্ন বাজেটে প্রত্যক্ষ কর বৃদ্ধি এবং ভ্যাট সম্প্রসারণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ৭টি অধিকারভিত্তিক নেটওয়ার্ক ও সংগঠন। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে এসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা রাজনীতিকে দেশের কালো টাকা ও কর অবিচারের প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেন।
মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, বৈদেশিক সাহায্য বা ঋণের ওপর নির্ভর না করে উন্নয়ন পরিকল্পনায় আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণের সুপারিশ করেন। মানববন্ধনের প্রদর্শিত ব্যানারের উপজীব্য ছিল, জাতি আরও বেশি কর দিতে প্রস্তুত, কিন্তু বিলাসিতা কমানো এবং দুর্নীতি উৎপাটনের উদ্যোগ নিতে হবে।
ইক্যুইটিবিডি’র মোস্তফা কামাল আকন্দের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অনলাইন নলেজ সোসাইটির প্রদীপ কুমার রায়, বাংলাদেশ ভূমিহীন সমিতির সুবল সরকার, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনর বদরুল আলম, সুরক্ষা ও অগ্রগতি ফাউন্ডেশনের জীবনানন্দ জয়ন্ত, জাতীয় শ্রমিক জোটের হেনা চৌধুরী ও মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ এবং ইক্যুইটিবিডি’র রেজাউল করিম চৌধুরী। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য নেটওয়ার্ক ও সংগঠন হলো- অর্পণ, বাংলাদেশ কৃষাণী সভা, ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ইনিশিয়েটিভ, ইভেন্টফুল বাংলাদেশ সোসাইটি, মানুষ মানুষের জন্য, মিডিয়া ফাউন্ডেশন ফর ট্রেড এন্ড ডেভেলপমেন্ট, অনলাইন নলেজ সোসাইটি, প্রদীপ, এসডিও, সুরক্ষা ও অগ্রগতি ফাউন্ডেশন, সিরাক বাংলাদেশ, ইউপি ট্রাস্ট ও ভয়েস। মানববন্ধনের আগে একটি র‌্যালি বের করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে যেসব দাবি তুলে ধরা হয় সেগুলো হলো- সরকারকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বন্ধ করার একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে এবং অপ্রদর্শিত অর্থের ওপর শাস্তিমূলক কর আরোপ করতে হবে। সরকারকে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজস্ব ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সরকারী ব্যয় পর্যালোচনা কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং ফ্রান্সের বর্তমান সরকারের গৃহীত নীতিকে এ ক্ষেত্রে অনুসরণ করা যেতে পারে। রাজস্ব বিভাগের দুর্নীতি বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। মহা হিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয় কর্তৃক সকল নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে এবং সরকারী ব্যয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিকে অধিকতর কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

24 May 2012: ‘দেশে বেকারের সংখ্যা ২ কোটি ৪৪ লাখ’

ঢাকা: দেশে বেকারের সংখ্যা ২ কোটি ৪৪ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার ১৩.৪ শতাংশ। ১০ বছরে দেশে বেকারত্বের হার বেড়েছে ৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কর্মসংস্থান কর্মসূচি ও অনলাইন নলেজ সোসাইটির উদ্যোগে যুবকর্মসংস্থান তহবিল গঠন, সার্টিফিকেটের বিপরীতে সুদমুক্ত কর্মসংস্থান ঋণ প্রদান ও বেকারভাতা চালুসহ ১০ খাতে বিশেষ বাদ্দের দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা এ কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, বিশাল জনগোষ্ঠীকে বেকার রেখে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। যে কোন মূল্যে বেকারত্ব বৃদ্ধির হার রোধ করতে হবে।

দেশের বেকার জনসংখ্যার হাতকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত করতে হলে দেশে শিল্পায়নসহ কৃষি ও সেবাখাতের উন্নয়ন, সেই সাথে আত্ম-কর্মসংস্থানের খাতকে শক্তিশালী করতে হবে বলে দাবি করেন বক্তারা।

বেকারত্ব দূর করার জন্য অবিলম্বে যুব কর্মসংস্থান তহবিল গঠন, অবিলম্বে কর্মসংস্থান নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন, সার্টিফিকেট অর্জন ব্যয়ের সমপরিমাণ অর্থ সুদমুক্ত কর্মসংস্থান ঋণ চালু, ক্রমবর্ধমান শিক্ষাব্যয় নির্বাহ করতে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুদমুক্ত শিক্ষা ঋণ কর্মসূচি চাল, সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক ইন্টার্নীশিপ চালু, থানায় থানায় কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগে ব্যাংক ড্রাফট নেওয়া বন্ধ, সমবায় আন্দোলন জোরদার ও বেকারভাতা চালু করার দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন অনলাইন নলেজ সোসাইটির প্রধান নির্বাহী প্রদীপ কুমার রায় , বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসেন আহমেদ তফসির, অনলাইন নলেজ সোসাইটির ক্যাম্পেইন কোঅর্ডিনেটর মোফাক খারুল ইসলাম তৌফিক, কর্মসংস্থান কর্মসূচির সমন্বয়ক রেজোয়ান শাতিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাসান জিদনী প্রমুখ।

অভিন্ন দাবিতে সকাল ১১টায় রাজশাহী আলুপট্টি মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে উপস্থাপিত দাবিসমূহ অর্থমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি আকারে পাঠানো হয় বলে আয়োজকরা জানিয়েছে।

রাজশাহীর মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উন্নয়ন কর্মী মধুসূদন মৈত্র, আমিনুর রহমান, মাহমুদুন নবী, আলজামিউল ইসলাম, যুব ইউনিয়ন নেতা হাফিজউদ্দিন পিন্টু ও সাংবাদিক রাশেদ রিপন।

15 May 2012:UNDP Talk to us: How can we generate growth and employment while protecting our planet?:

Employment is better solution to reach all the goal of MDGs. So, it should be prioritized in post 2015 development agenda. Employment means not only industrial development, we should keep focus on the micro level employment generation through cooperative approach.

11 May 2012: Rights group against WB role in climate resilience fund: Rights groups on Thursday demanded stopping the fiduciary management role of World Bank in Bangladesh Climate Change Resilience Fund (BCCRF) by 2013, reports UNB.

The demand came from a press conference jointly organised by six civil society climate networks and 11 organisations at National Press Club in the city.
Rezaul Karim Chowdhury of EquityBD, Prodip Roy of OK Society, Progoti Chakma of BIPNetCCBD, Mostafa Kamal Akanda of EquityBD, Ahmed Swapan Mahmud of VOICE and Khokan Sikder of CDP spoke at the press conference.
The rights activists also demanded forming an independent institution with democratic ownership for all climate fund management and expressed their concern that a conspiracy is going on to extend present role of World Bank in the BCCRF until 2018.
They said the democratic ownership means with participation of representatives from the government and the opposition party, climate victims, local government and media.
The speakers urged the government to make it clear how much service charge the World Bank has currently been taking from the BCCRF (1 to 4 percent or 9 percent).
Their demands also include ensuring transparency in all projects of BCCRF and showing a political will to get rid of conspiracy of donor darling consultants and bureaucrat’s nexus who are trying to keep and extend World Bank role for longer.
The networks and organizations, who have organised the press conference, are Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA), Climate Finance Governance Network (CFGN), Campaign for Sustainable Rural Livelihood (CSRL), Climate Change Development Forum (CCDF), Equity and Justice Working Group (Equity), Network for Climate Change in Bangladesh (NCCB), Arpon, Bangladesh Bhumihin Somity (BBS), Bangladesh Krishok Federation (BKF), Coastal Development Partnership (CDP), Centre for Global Change (CGC), Kishani Shoba, Manush Manusher Jonno, Media Foundation for Trade and Development (MFTD), OK Society, SDO, Sirajgong Flood Forum, Shurakka O Aggragoti Foundation (SAF) and VOICE.

11 May 2012: End WB role in BCCRF management by 2013: Green and right activists on Thursday demanded an end of World Bank’s role in the management of Bangladesh Climate Change Resilience Fund by 2013.
They expressed their concern that the government was trying to extend the time by five more years to 2018 for management of BCCRF by WB and demanded establishment of an independent body to manage the fund transparently.
They urged to form a democratic ownership of all climate fund managements by enlisting representatives from both ruling and opposition parties, civil society groups, media persons and affected people.
The demands were raised at a press conference organised at the National Press Club in the city by 17 organisations that are vocal on climate change, environment and rights issues in the country.
Voices for Interactive Choice and Empowerment executive director Ahmed Swapan Mahmud, who read out the written speech, said the government had earlier said the WB would help to build capacity in BCCRF management until 2013 in exchange of 1 per cent service charge out of the total grants.
‘But now we hear that the service charge is 4 per cent to 9 per cent,’ he said, alleging that neither the government not the WB is yet to give any specific and clear clarification about the capacity building.
He urged the government for giving specific and clear explanation about the service charge of WB and publishing the full and complete description of BCCRF and WB’s activities through website till date to make the government able to manage the fund.
Swapan also sought the government’s strong political will to come out of the bureaucratic system to lengthen the period of the country’s climate fund management by WB and trick of donor-friendly consultants.
Online Knowledge Society executive director Prodip K Roy said there should not be any more influence of World Bank in BCCRF after 2013 as the time from 2009 was enough for a country to learn how to manage funds.
Rezaul Karim Chowdhury of Equity and Justice Working Group, Bangladesh, moderated the press conference.
The conference was attended by representatives from other organizations including Bangladesh Poribesh Andolon, Climate Finance Governance Network, Campaign for Sustainable Rural Livelihood, Climate Change Development Forum, Network for Climate Change in Bangladesh, Arpon, Bangladesh Bhumiheen Somity, Bangladesh Krishok Federation, Coastal Development Partnership, Centre for Global Change, Kishani Shoba, Manush Manusher Jonno, Media Foundation for Trade and Development, Sirajgonj Flood Forum and Shurakka O Aggragoti Foundation.

11 May 2012: Managing Climate Change Resilience Fund: Govt urged not to extend WB’s managerial role

Development activists Thursday called on the government not to extend the role of the World Bank as manager of the Bangladesh Climate Change Resilience Fund (BCCRF) as the country is the fund’s owner.

They made the call while speaking at a press conference on “Climate finance monitoring and the role of World Bank” at the National Press Club in the capital.

The speakers also demanded the formation of an independent institution for operating and monitoring all kinds of fund meant for mitigating climate- change impacts.

Last year, the government signed an agreement with the World Bank that gave the global lender the task of managing the BCCRF for three years with service charge of 1 percent of the funds.

“It is very unfortunate that the WB is now trying to extend the period of the agreement till 2018,” Rezaul Karim Chowdhury, convener of EquityBD, said.

The climate change fund is owned by the Bangladesh government and it is completely irrelevant that the fund will be managed by World Bank, he added.

The programme was jointly organised by several civil society organisations including EquityBD, VOICE, CDP and BIPNetCCBD who are working on the climate change issues.

EquityBD concener mentioned that there is hardly any information about what the World Bank is doing on the Bangladesh Climate Change Resilience Fund.

He also urged the government to reconsider the two funds (BCCTF and BCCRF) for amalgamation in a single fund management by forming an autonomous board like PKSF.

11 May 2012: Climate activists oppose WB’s role in BCCRF’s fiduciary management: Thecountry’s climate activists Thursday demanded exclusion of the World Bank’s role in fiduciary management of Bangladesh Climate Change Resilience Fund (BCCRF). They also criticised the government’s decision on increasing the service charge for the World Bank (WB) in initiating the fund.

Climate change campaigners from seventeen civil society organisations (CSOs) raised their voice in favour of forming a democratic ownership in all climate fund managements to bring transparency. The demands were made at a press conference organised jointly by the CSOs held at the National Press Club in the capital.

Executive director of VOICE Ahmed Swapan Mahmud presented the keynote paper which revealed that the government earlier said WB will help to build capacity in BCCRF management until 2013 in exchange for 1 per cent service charge out of the total grants.

But, the government recently authorised WB’s engagement until 2018 and raised service charge between 4 and 9 per cent out of the financing, the paper said.

The paper also showed that there is no exact clarification by the government or WB about the ‘capacity building.’

Chief moderator of Equity and Justice Working Group (EquityBD) Rezaul Karim Chowdhury while coordinating the programme said so far our knowledge goes we know the government has got $128 million till date as grants for climate resilient from the global fund.

“If four to nine per cent of the amount is just spent for so- called capacity building, then what would be with the rest of the amounts,” Chowdhury quipped.

He said the developed countries have promised to grant $30 billion by 2012 for the climate vulnerable countries with a goal of $100 billion by 2020.

Bangladesh has at least 15 per cent right over the grants as she is the most vulnerable country subject to climate change impact, he added.

Online Knowledge Society executive director Prodip K Roy said there should not be any more influence of World Bank in BCCRF beyond 2013. We think, the time is enough for a country to learn how to manage funds, he added.

The climate campaigners placed a five- point demand that includes World Bank’s explanation on ‘the capacity building’ and other role they performed in last three years.

They also demanded full transparency in all the projects funded from BCCRF through websites.

The CSOs have stressed for formation of an independent institution with democratic ownership for climate fund management like national institutions PKSF and IDCOL.

Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA), Climate Finance Governance Network, Campaign for Sustainable Rural Livelihood, Climate Change Development Forum, Network for Climate Change in Bangladesh, Arpon, Bangladesh Bhoomiheen Samity, Bangladesh Krishok Federation, Coastal Development Partnership, Centre for Global Change, Kishani Shobha, Manush Manusher Jonno, Media Foundation for Trade and Development, Sirajganj Flood Forum and Shurakhya O Aggragoti Foundation (SAF) among others CSOs took part at the programme.

10.05.2012:পদ্মা সেতু:দুর্নীতির প্রমাণ দিল বিশ্বব্যাংক

পাঠক মন্তব্য: পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংক দুনৃীতির কি প্রমাণ হাজির করেছে, সেই তথ্যগুলো সংবাদে প্রকাশ করা হলে পাঠক হিসাবে আমাদের বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হতো। ইতিপূর্ সংবাদপত্র মারফত সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী এবং তার প্রতিষ্ঠান সাকো ইন্টারন্যাশনাল নিয়ে দৃনীতির যে তথ্যগুলো আমরা পেয়েছি, সেগুলো যাচাই-বাছাই এবং পরীক্ষা করলে দেখলে সেখানে দুর্ীতি সম্পকে কিছু আন্দাজের কথা বলা হয়েছে, যার কোন প্রমাণ নেই। প্রমাণ হিসাবে হাজির করা হয়েছে, টেন্ডার প্রসেসে যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ পায়নি, তারা জানিয়েছে, যোগাযোগ মন্ত্রী ও সাকো ইন্টারন্যাশনালকে তারা টাকা দেয়নি, তাই তারা কাজ পায়নি। এটি তারা মৌখিকভাবে বলেছে, কোন লিখিত অভিযোগ তারা দায়ের করেনি। বিশ্বব্যাংক এটিকেই প্রমাণ হিসাবে হাজির করেছে। যারা কাজ পায়নি, তাদের অনেকরকম আন্দাজ থাকতে পারে। আন্দাজগুলো সবসময় ঠিক হয়, সেটা ভেবে নিয়ে আন্তজাতিক একটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে দুর্ীতির অভিযোগ তুলতে পারে, সেটা বোধগম্য নয়।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলোর মাধ্যমে আমরা আরো জানতে পেরেছি, বিশ্বব্যাংক অভিযোগকারি প্রতিষ্ঠানটিকে টেন্ডার প্রসেসে বিজয়ী ঘোষনা করে কাজ দেয়ার জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ করেছিল। কিন্তু টেন্ডার যাচাই-বাছাইয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি অনভিজ্ঞতার দায়ে বাদ পড়ে যায়। তখন বিশ্বব্যাংক টেন্ডার প্রসেসের দুর্লতার কথা বলে সরকারকে রি-টেন্ডার- ঘোষণা করতে বাধ্য করে। দ্বিতীয়বারের টেন্ডার ্ও ঐ প্রতিষ্ঠান যাচাই- বাছাইয়ে বাদ পড়ে। দ্বিতীয়বারে বাদ পড়ার কারণ ছিল, প্রতিস্ঠানটি অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতার সার্ফিকেট জাল করে জমা দিয়েছিল। তারপর্র্ও ঐ প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার বিষয়ে তখন বিশ্বব্যাংক বিষয়টি বিশেষ বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানায়। সেই অনুরোধ রক্ষা করা না বিশ্বব্যাংক চুক্তি স্বাক্ষর করার পর্র্ও টাকা ছাড় করতে গড়িমসি করে এবং টেন্ডার এ বাদ পড়া প্রতিষ্ঠানটির মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারের নিকট দুনীতির অভিযোগ তুলে ধরে।
এই সংবাদগুলো গণমাধ্যমের। চাইলে সেগুলোর লিংক দেয়া যেতে পারে। সংবাদগুলো পযালোচনা করলে দেখা যাবে, বিশ্বব্যাংকই দুর্ীতির আশ্রয় নিয়েছিল। তাই বিষয়গুলোর সুরাহা হ্ওয়া প্রয়োজন। তাই যে অভিযোগগুলো বিশ্বব্যাংক প্রমাণ হিসাবে তুলে ধরেছে, সেগুলো সংবাদে তুলে ধরলে দেশের জনগণ সেগুলো সম্পকে জানতে ্ও বুঝতে পারতো। শুধুমাত্র বিশ্বব্যাংক দুর্ীতির প্রমাণ হাজির করেছে, এমন সংবাদ শুধু মানুষকে বিভ্রান্তই করবে, যা পরোক্ষভাবে বিশ্বব্যাংকের দৃনীতিতে সহায়তা প্রদান করবে।

01.05.2012: রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও জনগণ – তিন

সংক্ষিপ্ত সার: ইলিয়াস আলীর দলীয় বন্ধুরা এবং যারা হত্যা-খুন-গুমবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়, তাদের সক্রিয়তা কার পক্ষে যাচ্ছে, কারা এর সুফল ভোগ করতে যাচ্ছেন – সেটাও ভেবে দেখা দরকার। অগণতান্ত্রিক তৃতীয় শক্তির আর্বিভাব এবং ক্ষমতায়ন নিশ্চয় বিরোধীদল এবং হত্যা-খুন-গুমের বিরোধীরাও মেনে নিতে চাইবেন না, এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এজন্যই নিজেদের কর্মকান্ডগুলো ভেবে দেখা দরকার।

28.04.2012: রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও জনগণ-দ্বিতীয় পর্ব

সংক্ষিপ্ত সার: যদি আবার দেখতে পাই, যুদ্ধাপরাধীদের হাতে দেশ পরিচালনার ভার, কেমন লাগবে সেটা? মো্টেই ভাল লাগার কথা নয়। কিন্তু এমন পরিস্থিতি ঘটানোর জন্যই যদি ইলিয়াস আলীকে কেউ হাওযা করে ১/১১ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, তবে বর্তমান সরকার ও বিরোধীদলের করণীয় কি, সেটা তারা একটু চোখ বুঝে ভাবলেই টের পারেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই চোখ বুঝে ভাবনার সময়টুকু এখন তাদের নেই। যখন সময় হবে, তখন শুধু চোখ বুঝে ভাবলেই চলবে না, দুচোখে অশ্রুগংগা তৈরী করে দেশের জনগণকেও চরম মাশুল দিতে এরা বাধ্য করবেন। সাধু তবুও সাবধান হবে না!

24.04.2012: রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও জনগণ

সংক্ষিপ্তসার: ভাবছি, সেই তরমুজের কথা। এসব নিয়ে মানুষ যদি এভাবে প্রতিদিন ঘর্মাক্ত হতেন, তবে হয়তো কৃষকরাও তরমুজের ভাল মূল্য পেতেন, আমরাও ভোক্তা হিসাবে ব্যবসায়ীদের মগের মুল্লুকটা ভেংগে একটু হলেও শান্তিতে বসবাস করতে পারতাম। কিন্তু বিধিবাম, রাষ্ট্র আর ক্ষমতার কারাকারিতে আমরা যতোটা আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক আর কর্ম-কুকর্মে আগ্রহী, ঠিক ততোটা নিজেদের দুর্ভোগ হ্রাসে ব্রতী নই; তাই রাষ্ট্রটা কখনোই জনগনের হয়ে উঠে না; বরং শাসকের রাষ্ট্রটাই ক্রমাগত শক্তিশালী হয়।

18.04.2012: বস্তি উচ্ছেদ নিয়ে আমাদের কিছু কথা

বস্তি নিয়ে প্রধানতম অভিযোগের বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম মাদক ব্যবস্যা ও সন্ত্রাসীদের আস্তানা, যে অভিযোগগুলোর সাথে সরাসরি সরকার ও সরকার দলীয় মাস্তানবাহিনীর যোগাযোগ আছে; কিন্তু প্রায়শই সেই কথা কেউ উচ্চারণ করে না। যাক, বস্তি নিয়ে অনেক বেশি বিশ্লেষণ আছে, মানুষের মতামতের প্রতিফলন আছে লেখাটিতে। অসম উন্নয়নের ফলে গ্রামের মানুষ শহরমূখী হচ্ছে, সেকারণেই বস্তিবাসি মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটাও বলা আছে লেখাটিতে। কিন্তু অসম উন্নয়নকে রাতারাতি সুষম উন্নয়নের দিকে পরিচালনা করা মনেহয় তেমন একটা সহজ কাজ নয় – যা দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা যায়। তবে সরকারি উদ্যোগ থাকলে দ্রুত না হোক, ধীরগতিতে হলেও বস্তিবাসিদের উন্নয়ন করা সম্ভব।
সমসাময়িক আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বেশিরভাগ নীতি-নির্ধারক ও নীতি-নির্ধারণ প্রভাবিত করার মতো ব্যক্তিবৃন্দ রাষ্ট্রকে সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে লাভ-লোকসান হিসাবকারি প্রতিষ্ঠান হিসাবে দেখানোর চেষ্টা করে। যার ফলে সুষম উন্নয়ন প্রায়শই স্থবির হয়ে যায়, কিংবা শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় লেখাপড়ার বিষয়ে পরিণত হয়। পুর্নবাসনের উদ্যোগ না নিয়ে বস্তি উচ্ছেদ অর্থই হলো, দেশের কর্মক্ষম মানুষজনকে কর্ম হতে সাময়িকভাবে উচ্ছেদ করা, যার প্রভাব কিন্তু অর্থনীতি পড়ে; কিন্তু সেটা ভেবে দেখার সময় ও মানসিকতা গবেষক ও অর্থনীতিবিদদের খুব একটা থাকে না। তাই পুর্নবাসনের কথা উচ্চারিত হলেও কিভাবে পুর্নবাসন সম্ভব, সেটা আলোচিত হওয়ার চেয়ে উচ্ছেদ ও পুর্নবাসনের সম্পর্ক ও সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা এবং তর্ক-বিতর্ক হয় বেশি করে। সময় ও সুযোগ বুঝে, আমরা এবং আমাদের রাজনীতিবিদগণ তর্ক-বিতর্কের কখনো টেবিলের এপাশে এবং কখনো টেবিলের অপরপাশে অবস্থান গ্রহণ করেন – একই অংগে বিচিত্র রুপ তাই দেখতে হয় আমাদের।
এবার আসি, সরাসরি কথা। বস্তিবাসির উন্নয়ন ো পুর্ণবাসনের জন্য যা করা প্রয়োজন:
– সকল বস্তি এলাকা এবং বস্তির লোকসংখ্যা চিহ্নিতকরণ।
– বস্তি এলাকায় বস্তিবাসিদের জন্য আবাসিক সুবিধা উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ এবং বস্তিবাসিদের মধ্যে তা বিতরণ। (গ্রামে ফেরত পাঠানোর চিন্তা কার্যকর হবে না, কারণ গ্রামে ফেরত পাঠানো হলেও তারা আবার শহরে ফিরে আসবে, তাই শঞরেই তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।)
– ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পে বস্তিবাসিদের যুক্ত করণের উদ্যোগ গ্রহণ। বিশেষকরে, শহরের দৈনন্দিন বাজারগুলোতে বস্তিবাসিদের দোকান করে দেয়া।
– উপজেলা পর্যায়ে কৃষি ও অ-কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের জন্য নীতি-পরিকল্পানা গ্রহণ করা এবং শিল্পো-উদ্যোক্তাদের রাষ্ট্রীয় অনুপ্রেরণা (ভ্যাট, ট্রাক্স মিথিলকরণ, পরিবহণসুবিধা) প্রদান করা।
অথাৎ, যারা ইতিমধ্যে শহরবাসি হয়েছেন, তাদের শহরমূখী আবাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং যারা শহরমূখী হতে পারেন, তাদের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়াই বস্তিবাসির উন্নয়নের জন্য কার্যকর পন্থা হিসাবে বিবেচিত হতে পারে।

17.04.2012: Spend more on agriculture to boost output: analyst

Comments on capacity building of farmers and agricultural producers for increasing productivity.

11.04.2012: Solidarity Economy for Social Change

Open competition for rich and poor under capitalist economy makes more people more poor and only a section of wealthy people mobilized more money than theirs needs and expectation. It could create an unhealthy atmosphere around the globe. But one things is important, each people wants his individual identity within the society and state. So, people irrespective of rich and poor justify the competition while poor are the loser always about all the times.So, we need to make an economic solution where people could act collectively, but they will enjoys their identity as per their capacity and skills. We need a solidarity among the people in this regards and solidarity economy could bring the people in this mechanisms.

24.03.2012: Increased investment in agri research demanded

Dhaka, Mar 24 (UNB) – Civil society members have urged the government to substantially raise subsidy in agricultural research and extension, and invest more in agricultural sector for sustainable climate adaptation. The call came at a seminar titled “Climate Change Strategic Plan 2009: Agriculture and Food Security“, held at the National Press Club (NPC) on Saturday. Organised by `Campaign for Sustainable Rural Livelihood (CSRL)` and `Equity and Justice Working Group Bangladesh (EquityBD)`, non-government development organisations and the two big networks of the civil society, the seminar was attended by experts, academics and civil society members. The civil society groups expressed concern over inconsistencies in implementing the 6th 5-year-plan in the budget of 2011-12 fiscal, including country investment plan, perspective plan and climate strategic action plan 2009, in respect of the pledge made by the government to attain self-sufficiency in food. Rezaul Karim Chowdhury of EquityBD moderated the seminar while Dr. Nazrul Islam of Dhaka School of Economics presented the keynote paper. Dwip Ujjwal Khisha of Bangladesh Indigenous People`s Network, Mizanur Rahman Bijoy of Climate Change Network, Badrul Alam of Krishak Federation, Aminur Rasul of Unnayan Dhara, Syed Aminul Haque of EquityBD, Prodip Kumar Roy of On-line Knowledge Society and Jibanananda Jayanta of SA Foundation, among others, attended and addressed the seminar.

03.02.2012: Farm labourers to be brought under legal framework: Minister

Agricultural labourers will be brought under legal framework as the Ministry of Labour and Employment (MoLE) has moved to include the once neglected community in the upcoming Labour Law 2012, concerned minister declared Thursday. The MoLE minister Engineer Khandker Mosharraf Hossain said, we are going to amend the labour law 2006 and in the new law the farm labourers will get the legal rights like industrial workers. Bhoomiheen Samity (an organisation of landless labourers) secretary Subal Sarker coordinated the programme while Bangladesh Krishok Jote president Iqbal Hossain Khan, Bangladesh Krishok Federation president Md Badrul Alam, Bangladesh Krishi Farm Sramik Federation president Md Abdul Mazid, Online Knowledge Society convener Prodip Kumar Roy among others, were present.

14.01.2012: Call to fix fair price of potato

Farmers, civil society organisations and politicians Friday demanded of the government to fix fair price of potato to save the farmers as well as cold storage owners from severe losses. They also demanded activation of the government’s potato advisory board under the agriculture ministry to protect the farmers’ interest. They also demanded forming farmers’ cooperatives and consumers’ cooperatives considering the benefit of farmers as well as consumers. The demands were raised at a discussion on ‘potato farmers’ plea’ organised jointly by Campaign for Sustainable Rural Livelihoods (CSRL), Karmojibi Nari and Nagarik Sanghati at the National Press Club in the capital. Chief executive of Online Knowledge Society Prodip Kumar Roy proposed to form an agriculture commission to fix prices of different agricultural products.

17.11.2011: Durban climate confce: B’desh team urged to focus on most vulnerable countries’ interest

Members of the civil society bodies urged the Bangladesh delegation which will represent the country in CoP 17 Durban climate conference to focus on the interest of most climate vulnerable countries. They were speaking at the seminar titled “CoP 17 Durban: Role of Bangladesh In View of People Interest” on Wednesday at the National Press Club , jointly organised by five climate alliances, Bangladesh Poribesh Andolan (BAPA), Bangladesh Indigenous People Network on Climate Change and Biodiversity (BIPNetCCBD), Climate Change and Development Forum (CCDF), Campaign for Sustainable Rural Livelihood (CSRL), Equity and Justice Working Group Bangladesh (EquityBD) and Network on Climate Change Bangladesh (NCCB).

13.11.2011: Recognition of displaced people as climate migrant demanded

Online Knowledge Society (OKS) and Campaign for Sustainable Rural Livelihoods (CSRL) on Saturday demanded for international recognition to the people displaced due to climate change as climate migrants, reports BSS. They also demanded for ensuring worldwide free movement, rehabilitation and secured life of the displaced people from a human chain organised in front of Jatiya Press Club, ahead of UN Secretary General Ban-ki Moon’s visit to Dhaka.

18.10.2011: Memorandum Submission to UN Secretary General on Beyond 2015

10.10.2011:Autonomous body for climate fund demanded

DHAKA, OCT 9: Leaders of different rights groups on Sunday demanded formation of a single autonomous body to handle climate change fund in order to keep the funding free from influence of the World Bank (WB). They came up with the demand at a human chain organised by eighteen rights groups, including the Campaign for Sustainable Rural Livelihoods (CSRL), On Line Knowledge Society, EquityBD, Lead Trust, Bangladesh Bhumihin Samity, Bangladesh Krishak Federation, Jatiya Sramik Jote, Humanity Watch and SUPRO, in front of the National Press Club in the city. Mostafa Kamal Akanda of EquityBD presided over the programme while among others Mizanur Rahman Bijoy of NCCB, Prodip Kumar Roy of On Line Knowledge Centre, Syed Aminul Haque of EquityBD, Fakhrul Ferdous of Development Centre International (DCI), Mohin Ahmed of Bangaldesh Krishak Federation and Farhana Akther of SUPRO, spoke on the occasion.
Prodip Kumar Roy said many questions have already arisen about transparency in spending the government climate change fund, which should be made clear to the public. “There is hardly any way of getting information about the role of the World Bank regarding the Bangladesh Climate Change Resilience Fund (BCCRF), which needs to be clarified,” he added. He also urged the government to reconsider role of the two funds — Bangladesh Climate Change Trust Fund (BCCTF) and BCCRF. Prodip Kumar suggested bringing the climate change funding under a single management by forming an autonomous body like the Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF), through merger of the BCCTF and BCCRF.

10.10.2011: Climate Fund: Govt urged to be aware of WB’s conspiracy to interfere

Pradip Kumar Roy of Online Knowledge Centre urged the government to consider amalgamation of Bangladesh Climate Change Trust Fund (BCCTF) set up with domestic allocation of Tk 14 billion and Bangladesh Climate Change Resilience Fund (BCCRF) formed with donors’ contribution of $10 million under an autonomous board like PKSF. He said there is hardly any information as to what the World Bank is doing on the BCCRF.

01.10.2011: Climate Investment Funds Monitor 4, October 2011

In February 2011 in Bangladesh, 11 civil society organisations formed a human chain in Dhaka protesting against the fact that financing for the PPCR programme is heavily loan-based. The programme consists of $50 million in grants and $60 million in loans from the PPCR, which are tied up with loans of $300 million from the International Development Association (IDA), the Bank arm for low-income countries, and $215 million in loans from the Asian Development Bank. Prodip Kumar Roy, of NGO Campaign for Rural Sustainable Livelihoods, said that the loans are “imprudent and premature as the multilateral climate financing process of UNFCCC is going to take shape by 2012” 12

28.08.2011: বাংলাদেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব

বাংলাদেশে খাদ্য সংকট ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারন জনগণের জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়ছে। কিন্তু এ থেকে পরিত্রানের উপায় কী? সরকারি পর্যায়ে বর্তমানে বিভিন্নরকম সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি (ওএমএস, ভিজিএফ, ভিজিডি ইত্যাদি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে খাদ্য সংকটকে মোকাবেলা করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। কিন্তু আপদকালীন এসব কর্মসূচি আপাতভাবে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কোনরকমে বাঁচিয়ে রাখতে সমর্থ হলেও মূল সমস্যার সমাধান করতে হলে সরকারকে আপদকালীন কর্মসূচির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সরকার যেসব নীতি গ্রহণ করছে, সেগুলো কতটা ফলপ্রসু – সেটা ভেবে দেখা দরকার।
যেমন, সরকার খাদ্য উৎপাদনে কৃষকবান্ধব হলেও উৎপাদিত শস্যের মূল্য নির্ধারণ কৃষকবিরোধী ভূমিকায় অবর্তীর্ণ হয়েছেন। অন্যদিকে, প্রস্তুতিহীন অবস্থায় কৃষিকে বাণিজ্যিক প্রতিয়োগিতামূলক কৃষিতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ গ্রহনের ফলে স্বল্পমেয়াদী ফলাফলে কৃষি হতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকগণ উচ্ছেদ হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে কৃষি অন্যান্য দেশের বহুজাতিক কোম্পানীর বাণিজ্যিক শিল্পে পরিণত হবে। যার ফলে দেশের দারিদ্রতা বৃদ্ধি পাবে এবং খাদ্য সংকট স্থায়ী রূপ লাভ করবে, যার পরিনাম খুব বেশি ভাল হবার কথা নয়।
বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা বাজারকে সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখার কোন প্রস্তুতি ছাড়াই খাদ্যপণ্যের মুক্তবাজার ইতিমধ্যে সরকার ও ভোক্তাদের জন্য হুমকি হিসাবে দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিকসময়ে চিনি ও তেল নিয়ে তেলেসমাতি আমরা সবাই পর্যবেক্ষণ করেছি এবং বাজারকে যারা নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখার পরামর্শ প্রদান করেন, তাদেরও জন্য সাম্প্রতিক এই অভিজ্ঞতা অবশ্যই সুখকর কোন সংবাদ বয়ে আনে নি, বরং বাজারকে সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখার জন্য নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের সুষ্পষ্ট ইংগিত প্রদান করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যবাজারকে নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য প্রাইস কমিশন গঠন এবং টিসিবি;র কার্যক্রমকে বৃদ্ধি ও শক্তিশালী করার দাবি জানানো হচ্ছে। কিন্তু সরকার এই দুটি বিষয়কেই তেমন একটা আমলে আনছেন বলে মনে হয় না। কিন্তু আমলে আনুন কিংবা না আনুন, সাধারণ ভোক্তা তথা জনগণ খাদ্যমূল্য ও খাদ্য সংকটকে আমলে নিয়েই সরকারের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।

24.07.2011: প্রসঙ্গঃ চিনি উধাও ও তেলের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীন

চিনি উধাও ও তেলের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীন শিরোনামে জনপ্রিয় দৈনিক প্রথম আলোতে সংবাদটা শুরু হয়েছে এভাবে, “সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে চিনি। দর বেঁধে দেয়ার পরদিন থেকেই বাজারে চিনি মিলছে না”। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী মানুষের জীবনযাপনকে অসহনীয় করে তুলছে। এসব নিয়ে অনেক কথাবার্তাও হচ্ছে। সংবাদপত্রগুলোতে প্রতিদিন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। বাজার সংক্রান্ত তথ্য সবার নিকট যতই উন্মুক্ত হচ্ছে, দ্রব্যাদির বাজার ততই উর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। এক কথায়, বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীদের নিকট সরকার অসহায় হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। বিশেষতঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে এক প্রকার তামাশা শুরু করেছেন ব্যবসায়ীবৃন্দ। সেই তামাশায় রশদ যোগান দিতে শুরু করেছে গণমাধ্যমগুলো। প্রথম আলোতে সংবাদটির শুরুর বক্তব্যটির উপস্থাপন হতে মনে হতেই পারে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিনি ও তেলের মূল্য নির্ধারণ করে বাজার মনিটরিং টিমের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়ে ভুল করেছেন। অর্থাৎ বাজার মূল্য নির্ধারণ না করলেই ভাল হতো। অর্থাৎ বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা উচিত হয়নি। [বিস্তারিত: উপরের লিংকে ক্লিক করুন]

14.06.2011: Govt urged to increase subsidy in agriculture in budgetary allocation

Dhaka, June 14 (UNB) – Speakers at a rally on Tuesday urged the government to increase budgetary allocation for subsidies in agriculture, with a view to achieving self sufficiency in food while also ensuring the country’s food security. They said that enhancing subsidy in agriculture is a must to gain food self-sufficiency and gaining food self sufficiency in 2013 is in line with Vision 2021, the election manifesto of Awami League. The government should not back track from this promise. Moderated by Mostafa Kamal Akanda of EquityBD, the rally was addressed, among others, by Abdul Majid Mollick of Bhumihin Somitee, SM Saikat of SIRAC Bangladesh, Shipra Rani Das of Kishani Shova, Feroze Ahmed of Lead Trust, Jibanondo Joyanta of Shurrakkha and Agragoti Foundation, Prodip Kumar Roy of On Line Knowledge Centre, and Rezaul Karim Chowdhury of EquityBD.

02.06.2011: অভ্যন্তরীণভাবে চাল কিনবে সরকার দাম নির্ধারণ আজ

সরকার চাল সংগ্রহের জন্য চালের মূল্য নির্ধারণ করছেন, কিন্তু ধানের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করবেন কিনা, সেটা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। সাধারণত খাদ্য পরিধারণ ও মূল্যায়ণ কমিটি ধান ও চাল উভয়েরই মূল্য নির্ধারণ করে থাকেন। এটা থেকে আশা করা হচ্ছে, সরকার ধানের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করবেন। ধানের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ না করে শুধু চালের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হলে সাধারন কৃষকবৃন্দ ফড়িয়া, আড়তদারদের নিকট জিম্মি হয়ে যাবে এবং তারা ক্রমাগত ক্ষতির শিকার হবেন। আশাকরি, সরকার এই বিষয়টিতে নজর দেবেন। প্রতি কেজি প্রতি চালের উৎপাদন খরচ ৩০ টাকা হিসাবে ধরে চালের সরকারি ক্রয়মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। যদি চালের ক্রয়মূল্য ৩২ টাকা হয়, তবে প্রতি কেজি ধানের ক্রয়মূল্য হওয়া উচিত ২১.১২ টাকা (১০০০ গ্রাম ধানে ৬৬০ গ্রাম চাল উৎপাদিত হয়)। যদি চালের ক্রয়মূল্য ৩০ টাকা হয়, তবে প্রতি কেজি ধানের ক্রয়মূল্য হওয়া উচিত ১৯.৮০ টাকা। আশাকরি, এই হিসাবটা মাথায় রেখে ধানের মূল্য ও চালের মূল্য র্নিধারণ করা হবে। ধানের উৎপাদন মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই বৃদ্ধির টাকাটা যাতে কৃষকের হাতে যায়, কোনভাবেই ব্যবসায়ীরা সেটার সুবিধা না পায়, সেদিকে সরকারের দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।

01.06.2011: A faulty Model: What the Green Climate Fund can learn from climate investment funds (pdf)

30.05.2011: কৃষকের জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তা ও অন্যায্য ধান বাণিজ্য

কৃষিকার্ড প্রাপ্ত ১ কোটি ৮২ লাখ কৃষকের মধ্যে ১ কোটি ৪২ লাখই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা মূলতঃ দরিদ্র শ্রেণীভুক্ত, যাদের সম্পদ ও শ্রমশক্তিতে মূলতঃ কৃষিতে বাংলাদেশ বাম্পার ফলন দিয়ে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কৃষিকে রক্ষা করতে হলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের দারিদ্রতা নিরসন করা প্রয়োজন। কিন্তু উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের যেভাবে অনুপ্রাণিত করা হয়েছে, সেভাবে ফসলের লাভজনক মূল্য প্রদান করে তাদের দারিদ্রতা নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করার কোন সরকারি নীতি বা উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সরকারের কার্যকর নীতি-পরিকল্পনার অনুপস্থিতির কারণে শুরু হয়েছে অন্যায্য ধান বাণিজ্য। অন্যায্য ধান বাণিজ্যের কারণে বাম্পার ফলন দিয়ে কৃষক এবং চালের সাধারণ ভোক্তারা হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্থ, অন্যদিকে ফড়িয়া ধান-চাল ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরী হয়েছে অধিক মুনাফার রাস্তা। বাংলাদেশের কৃষিকে বাঁচাতে ফড়িয়া, আড়তদার, ধান-চাল ব্যবসায়ীদের অন্যায্য ধান বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে এবং অবিলম্বে সরকারকে প্রায় দেড় কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীর জীবন ও জীবিকা নিশ্চয়তা প্রদান করার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। প্রমাণ করতে হবে কৃষিবান্ধব সরকার, কৃষকবান্ধবও বটে। [বিস্তারিত: উপরের লিংকে ক্লিক করুন]

11.05.2011: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন: র্যাব ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ

প্রথমেই বলে নিই, র‌্যাবের কর্মকান্ডকে বৈধতা দেয়ার লক্ষ্যে এই মন্তব্য নয়। র‌্যাবের কর্মকান্ড নিয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক বেশি বিতৃষ্ঞা আছে, সেই একই বিতৃষ্ঞায় র‌্যাবকে নিয়ন্ত্রিত কিংবা সংস্কার কিংবা র‌্যাব বাতিল করার পক্ষে সর্বদাই মতামত জ্ঞাপন করেছি। কিন্তু বিদেশী কোন সংস্থা এই বিষয় নিয়ে আমাদের দেশের সরকারকে হুমকি প্রদান করবে, এর সাথে কোনভাবেই একমত নই, এটি প্রকাশ করতেই এখানে মন্তব্য লেখা। আগামী ৬ মাসের মধ্যে র‌্যাব বিষয়ে সরকার যদি কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রু, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়ার দাতা দেশগুলোর সবধরণের প্রতিশ্রুত সহযোগিতা প্রত্যাহার করে নেবার উদ্যোগ গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন নিউইঊর্কভিত্তিক এই সংস্থাটি। সেটি করেছেন আবার বাংলাদেশে বসেই। সময়টি যদি বিবেচনা করি, তাহলে জাতিসংঘের আয়োজনে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ এলডিসি- ৪ অনুষ্ঠিত হবার সময় সোস্যাল ওয়াচ এই কথাগুলো বলেছেন। আক্রা প্লান অব অ্যাকশন অনুযায়ি কোন শর্ত ছাড়াই স্বল্পোন্নত দেশসমূহকে তাদের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে দিতে হবে এবং সেই উন্নয়ন পরিকল্পনায় সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। অনেক সংগ্রাম করে এমন বিষয়গুলো আর্ন্তজাতিক ঘোষনায় যুক্ত করা হয়, যেগুলোকে কার্যকারিতায় দেখা যায় না। কিন্তু সোস্যাল ওয়াচের মতো সংগঠণ যখন এই বিষয়গুলোকে ভুলে যায়, তখন তাদের চিন্তা ও কাজের কার্যকারিতা কতটুকু, তা বিবেচনায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। র‌্যাবকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার প্রশিক্ষণ নাকি যুক্তরাজ্য প্রদান করেছিল, সোস্যাল ওয়াচের কর্মকর্তারা কিন্তু সেই কথাটি বলে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেবার কথা বলেননি, বরং সেটা চেপে গেছেন। এসবের কারণ অবশ্যই খুজে দেখা প্রয়োজন। সম্প্রতি বিচারবর্হিভূতভাবে ওসামা বিন লাদেনকে (লাদেনকে সমর্থন করা উদ্দেশ্য নয়) হত্যা করা হয়েছে এবং এটি নাকি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যায়বিচার। স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট্ এমন দম্ভোক্তি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এমন দম্ভোক্তি বিশ্বমানবাধিকারকে বৃদ্ধাংলি দেখানোর সামিল। কিন্তু এ বিষয়ে সোসাল ওয়াচ এর কোন বক্তব্য আমরা পাইনি। আর্ন্তজাতিক সন্ত্রাসের ওজুহাত দেখিয়ে পাসপোর্টে মোহাম্মদ / খান লেখা থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র কতমানুষকে হেনস্তা করেছে, সেগুলো সোসাল ওয়াচের চোখে মনেহয় মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা বলে মনেহয়নি। ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে কথিত পারমানবিক বোমার সন্ধান করতে সাদ্দাম হোসেনকে উৱখাত ও হত্যা করা হলো, এগুলো কি মানবাধিকার লংঘন নয়? দীর্ঘদিন ধরে বিচারের নামে ব্লাক প্যান্ঞার গ্রুপের সদস্য মুমিয়া আবু জামালকে বিচারবর্হিভূতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে, এটি কি মানবাধিকার লংঘন নয়? সম্প্রতি উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি ব্রাডলিকে কারণ ছাড়াই গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী শারিরীক নির্যাতন করছে, এগুলো কি মানবাধিকার লংঘন নয়?লাদেনকে বিচারবর্হিভূতভাবে হত্যা, সন্ত্রাস দমনের নামে মুসলমানদের হেনস্তা করা, কথিত পরমাণু অস্ত্রের সন্ধানের নামে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যূত ও হত্যা করা, বিচারবর্হিভূতভাবে মুমিয়া আবু জামাল ও ব্রাডলিকে কারাগারে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করার বিরুদ্ধে আমরা যদি নিউইউর্ক শহরে যুক্তরাষ্টকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসাবে চিহ্নিত করার দাবি উপস্থাপিত করতে চাই, তাহলে সোসাল ওয়াচ বিষয়টিকে কিভাবে দেখবেন? যুক্তরাষ্ট্রকি এমন মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেবেন?একটি স্বাধীন সার্বভেৌম্ব দেশের নাগরিক হিসাবে সোসাল ওয়াচের এমন বক্তব্য আমাদের আহত করেছে। তাদের পর্যবেক্ষণ করা্উচিত ছিল, বাংলাদেশের মানুষ ইতিমধ্যেই র‌্যাবের কর্মকান্ড নিয়ে সোচ্চার হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের মানুষই সরকারকে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাতে বাধ্য করবে। বিদেশী কেউ আমাদের রাষ্ট্রের অভ্যন্র্নরীণ বিষয়ে হুমকি প্রদান করুক, তা কোনভাবেই প্রত্যাশিত নয়। মানুষের অনুভূতিকে কাজে লাগানোর জন্য মানবাধিকারের তকমা লাগিয়ে সোসাল ওয়াচ আমাদের সার্বভেৌমত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আর্ন্তজাতিক কুটনৈতিক শিষ্ঠাচার লংঘন করেছে। এটাকে সহ্য করলে আরো বেশি উদ্ধত্য দেখানোর সাহস পাবে তারা, এই বিষয়ে সচেতন থাকা্উচিত সবার।

20.04.2011: Protest against conditional IMF loan: Thirteen right based civil society organizations led by Equity BD on Tuesday demonstrated, held rally and formed human chain in front of national press club to protest government’s move to take one billion dollar conditional loan from the IMF, reports UNB. They urged the government not to take the loan with condition of money contraction and VAT expansion which are anti-poor and against the nation. The right groups are Arpan, Bangladesh Bhumihin Samity, Bangladesh Kishani Shova, Coastal Development Partnership, Bangladesh Krishak Federation, Equity BD, Lead Trust, La via Campesina Bangladesh, Media Foundation for Trade and Development, On Line Knowledge Center, Pradip, VOICE and Uddipan. Zaid Iqbal Khan of Krishok Federation mentioned that the government has already withdrawn bank ceiling on loan. This will reduce the loan flow for long term investment and thereby no new employment opportunity. Subal Sarkar of Bhumihin Shamiti stated that in line with IMF conditionality government will have reduce subsidy in fuel and fertilizers ultimately which will create problem for farmers. Sayed Aminul Haque of EquityBD said the country still has comfort level of remittance flow and export growth. Import cost has increased but even with WTO provision government can reduce import, thus government has no need of embark on IMF loan. Prodip Kumar Roy of Knowledge Center stated that always IMF proposes Value Added Tax (VAT) expansions. Such tax is always a burden on poor people.

05.04.2011: World Bank seeks expanded role in climate finance despite civil society protests

In Bangladesh, 11 civil society organisations formed a human chain in Dhaka protesting against the fact that financing for the PPCR programme is heavily loan-based. The project consists of $50 million in grants and $60 million in loans from the PPCR, which are tied up with loans of $300 million from the International Development Association (IDA), the Bank arm for low-income countries, and $215 million in loans from the Asian Development Bank.

Prodip Kumar Roy of NGO Campaign for Rural Sustainable Livelihoods said that the loans are “imprudent and premature as the multilateral climate financing process of UNFCCC is going to take shape by 2012”. He added: “It is the conspiracy of developed countries to avoid the multilateral process of UNFCCC and also to continue exploitation by debt and domination through the World Bank.”

24 March 2011: পঞ্চগড় থেকে কৃষি সংস্কার কর্মসূচির পদযাত্রা শুরু : সোমবার রংপুরে বিভাগীয় গণজমায়েত

রংপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা : উত্তরবঙ্গের আলু চাষীদের আলু সংরক্ষণের ব্যবস্থাগ্রহণ, সাম্প্রতিক সময়ে ডিজেল সমস্যার সমাধান, পানির স্তর নীচে নেমে যাওয়া রোধে ব্যবস্থাগ্রহণ, কৃষি সম্পর্কিত নীতিমালাগুলোর সমন্বয়সহ সামগ্রিক কৃষি সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবিতে আজ পঞ্চগড় হতে উত্তরাঞ্চলের কৃষক পরিবারের ছাত্র-তরুণ-যুবকরা কৃষি পদযাত্রা শুরু করেছে।

undefinedআজ রংপুর প্রেসক্লাবে  গ্রামীণ জীবনযাত্রার জীবনযাত্রার স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য প্রচারাভিযান (সিএসআরএল) আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে আয়োজকবৃন্দ বলেছেন, কৃষি পদযাত্রাটি পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর-রংপুর-গাইবান্ধা-বগুড়া-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে আগামী ২৯ মার্চ ২০১১ তারিখে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিতব্য কৃষি পদযাত্রার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে সিএসআরএল এর সদস্য এবং অনলাইন নলেজ সেন্টার এর মডারেটর প্রদীপ কুমার রায় কৃষি পদযাত্রা ও রংপুর বিভাগীয় কর্মসূচি সম্পর্কে আলোকপাত করেন এবং রংপুর ওয়েব এর সম্পাদক রিয়াদ আনোয়ার শুভ কৃষি পদযাত্রার লিফলেট পাঠ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কর্মজীবী নারী’র রংপুর অঞ্চলের সংগঠক জাবিদ হোসেন হোসেন, যুবনেতা সাব্বির আহমেদ, নর্থ বেঙ্গল কিন্ডার গার্র্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলস সোসাইটির সচিব হুমায়ুন কবীর রিপন  ও রংপুর ইনফোর চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম।

প্রদীপ কুমার রায় বলেন, বাংলাদেশে কৃষি সম্পর্কিত একাধিক নীতিমালা, আইন ও কৌশল পত্র বিদ্যমান, যা কোন কোন ক্ষেত্রে পরস্পর বিরোধী। এই নীতিমালাগুলোর সংস্কার ও সমন্বয়সাধন ছাড়া বাংলাদেশের কৃষির সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে নয়। সামগ্রিক কৃষি সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি ও কৃষকের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে।

দেশের কৃষি পরিবারের ছাত্র-তরুণ-যুবকদের মধ্যে বাংলাদেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সক্রিয় ভ’ভূমিকা  রাখার জন্য প্রণোদনা সৃষ্টি ও নেতৃত্ব গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সিএসআরএল ২৭-২৯ তারিখে সারাদেশব্যপী কৃষি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত করছে। আজ পঞ্চগড়ে উত্তরাঞ্চলের কৃষি পদযাত্রার উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষি পদযাত্রাটি ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ঘুরে আগামীকাল বিকেল ৫টায় রংপুর প্রেসক্লাবে  অনুষ্ঠিতব্য গণ জমায়েতে এসে পৌছবে বলে আয়োজকবৃন্দ জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, অনেক প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে বাংলাদেশের কৃষক আজও বাংলাদেশের কৃষিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। বক্তারা কৃষি ও  কৃষকের জীবন ও জীবিকার মান উন্নয়নে অবিলম্বে সামগ্রিক কৃষি সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

03.03.2011: ড. ইউনূসকে নিয়ে ঢাকা-ওয়াশিংটন টানাপোড়েন: দৈনিক প্রথম আলোতে সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনুস ও গ্রামীণ ব্যাংককে নিয়ে প্রতিদিন প্রায় সংবাদ প্রকাশ করছে। ইতিপূর্বে ড. ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে বরখাস্ত করা হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের কেউ বৈঠক করবে না বলে সংবাদ প্রকাশ করে সরকারকে একপ্রকার হুমকিমূলক সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন। গতকাল গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ হতে অব্যাহতি প্রদান করার পর আজ বেশ গুরুত্ব দিয়ে বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রকাশ করেছে দৈনিক প্রথম আলো। বলা হয়েছে, সরকারের গতকালের পদক্ষেপের পর আর সে সুযোগ (যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত সমঝোতা) আর থাকলো না।উল্লেখ্য, গতকাল ড.ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদানের পর তিনি নিজেই বলেছেন, বিষয়টি আইনগত ব্যাপার, তিনি আইনগতভাবেই একে মোকাবেলা করবেন। সেখানে দৈনিক প্রথম আলো প্রতিনিয়তই বাংলাদেশের আইনের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টিকে কিভাবে দেখছে, সেটা বলার চেষ্টা করছেন। বলাবাহুল্য, এর মাধ্যমে দৈনিক প্রথম আলো বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের খবরদারি বৃদ্ধির কাজটি কার্যকরভাবে পালন করছেন, যা আমাদের কাম্য নয়।বদলে দাও, বদলে যাও শ্লোগান নিয়ে যারা দেশের মানুষকে উজ্জ্বীবিত করার চেষ্টা করছেন, তাদের এমন কর্মকান্ড কোন ধরণের পরিবর্তন আনবে, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন। আশাকরি, দৈনিক প্রথম আলো পাঠকের এই মন্তব্যটি প্রকাশ করে বাধিত করবেন।

25.02.2011: Dhaka Urged Not to Take WB’s PPCR loan

Prodip Kumar Roy of CSRL said that it was not a climate fund; rather it was a spider’s web of debt and exploitation. “In fact it is the conspiracy of developed countries to avoid the multilateral process of UNFCCC and also to continue exploitation by debt and domination through WB including other international financial institutions,” he added.

29.09.2010: Govt  urged to ensure transparency on climate related dev: Prodip Kumar Roy of Online Knowledge Centre said the government is making so many agreements and receiving huge amounts of loan but did not feel it necessary to inform the people of these matters. “That’s why real development doesn’t take place. There are two climate funds (Bangladesh Climate fund and MDTF) that are run through government management where people’s representatives have no participation and as such these are likely to be misused,” he added.

Sharif A. Kafi: মামলা কালচার বন্ধ হোক! এর আগে আশুলিয়াতে শ্রমিক বিক্ষেভ ও ভাংচুরের ঘটনায় ছয় হাজার (৬০০০) গার্মেন্টস কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কয়েক দিন আগে আবার দুটি মামলায় সাভার-অশুলিয়াতে ছয় শত (৬০০) ও সাত শত (৭০০) শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আবার গতকাল পত্রিকায় দেখলাম মজুরী সম্পর্কিত আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১১ নেতাসহ অরও কয়েক শত গার্মেন্টস শ্রমিকে…র নামে মামলা হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন থানায়। সমঝোতার পর এই সব মামলা বাতিল হওয়া উচিৎ। Prodip Kumar Roy হাজার হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে মামলা অর্থ লক্ষ লক্ষ টাকার বাণিজ্য। রাত ১২টার পর দেখুন, কতজনকে পুলিশ ধরে নিয়ে আসে, আর পরের দিন দেখুন কতজনকে কোর্টে চালান দেয়া হয়। সরকারের উপলব্ধি করা উচিত, দুর্নীতির শুরু হয় এভাবেই। তাছাড়া হাজার হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে মামলা মানবাধিকার লংঘন নয়কি? Sharif A. Kafi হাজার হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে মামলা অবশ্যই মানবাধিকার লংঘন।Habibullah Mizan Chairman-Member, MP-Minister der chori chamarir khobar nite Jessor and Kushtia field visit e jacche,any FRIENDS from these two historical districts,PLZ Prodip Kumar Roy নিলর্জ্জভাবে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করছেন আপনি। সাংবাদিকদের কাজ অবশ্যই খবর সংগ্রহ করা। কিন্তু বেহায়াপনা প্রকাশ করা নয়। আরো মনে রাখা দরকার, যাদের চুরি চামারি ধরার জন্য একজন দুর্নীতিবাজ মালিকের সংবাদপত্র হতে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন, তারা কিন্তু জনপ্রতিনিধি, আপনার মতো পরগাছা নয়। চুরি-চামারি প্রকাশ করুন, এটা আমরা চাই, কিন্তু সবাইকে এককাতারে মনে করে আপনি যে অভিযানে নেমেছেন, সেটাই একপ্রকার দুর্নীতি। দৃষ্টিভংগি ঠিক করুন। সাংবাদিকতার মহান দায়িত্বকে কলুষিত করবেন না। Fazlul Bari ‎@Prodip… Oi chrii-chamari prokash korar media bangladeshe poyda hoynai…

29.07.2010: পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০০০ টাকা: শিক্ষানবিশ শ্রমিকরা পাবে আড়াই হাজার টাকা আর গ্রেড-১ এর শ্রমিকরা পাবেন ৩০০০ টাকা। বিষয়টি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের নীতিবিরুদ্ধ। ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয় একেবারে নবীন, যাদের কোন দক্ষতা নেই, তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য। ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের নীতি- নির্ধারকবৃন্দ শিক্ষানবিশ শ্রমিকদের যে মজুরি নির্ধারণ করেছেন, সেটাই আসলে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি। সেইঅর্থে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, এটা ঠিক নয়। অন্যদিকে এই আদেশ কার্যকারিতার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১লা নভেম্বর হতে। সরকার যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তা পরবর্তী দিবস হতেই কার্যকর হয়। কিন্তু গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেলায় তা করা হলো না। আমাদের মনে রাখা উচিত, আগামী মাস ঈদের মাস। ন্যূনতম মজুরিটি ঈদের আগেই কার্যকর করা উচিত ছিল। ন্যূনতম মজুরি সঠিক নির্ধারণ করা হয়েছে কি হয়নি, সেটা নিয়ে কোন মন্তব্য করছি না। কিন্তু আমাদের যে মানসিকতার কোন পরিবর্তন ঘটেনি, তা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। সমস্যাটি কিন্তু তৈরী হয় এখান হতেই। কারণ এই কেৌশলী মানসিকতা প্রতিফলিত হয় কারখানায়, যার একতরফা প্রতিফলন ঘটে শ্রমিকদের উপর। তারপর শ্রমিকরা দিনের পর দিন এই প্রতিফলনের পাল্টা প্রতিফলন ঘটায় কারখানা ভাংচুর করার মাধ্যমে। আমাদের গার্মেন্টস মালিক এবং সরকারের বিষয়গুলো অনুধাবন করা উচিত। নিজেদের চতুরতার কারণে আপনারা নিজেরাই ফাদে পড়বেন, আবার দোষ দেবেন অন্যদের। এটা দিনের পর দিন চলতে পারে না। দেশের গার্মেণ্টস সেক্টরকে রক্ষা করতে হলে আপনাদের শিল্পমালিকের চরিত্র অর্জন করতে হবে, লুণ্ঠনকারী এবং লুম্পেন চরিত্র নয়।

06.07.2010: বিদ্যুৎ খাতের বেসরকারীকরণ দেশে ঋণের বোঝা বাড়াবে: Electricity is an essential services, not a product! When private company generate electricity, then it would become a product rather than service. First, we should realise the mode of development. We should also define the role of state. If anybody thinks, state only calculate loss or profit, then privatisation is the right thing. But if you think, state have a great role to provide basic services to her people irrespective of rich and poor, then privatisation is a wrong way. Private company will generate power for profit, not for service. So, they will fix the price accordingly. There have not any room to think about welfare of people. So, government have to buy power from private company and if the state wants to be a welfare state, then they have to provide subsidy to the power. Think, how much money will go for subsidy in the next? Where from the money will come? Oviously, the state then borrow it from IFIs. In this process, the state will become a slave of IFIs. Do anybody dream it? We have a great power crisis and government have to produce power. So, the government itself should invest in power plants for supplying power to the people as service. In this case, the friend who are crying for power privatisation, will raise a question about corruption! Yes, we should stop corruption, but not privatise the power sector fearing corruption. At last, friends who are advocating privatisation, just wait a few year and you will get a very much bitter results! So, think before act! Time will never give you another chance! Visit related news: Privatization in power sector may lead to more public debts and poverty; Privatisation of power may lead to more debts, Say speakers

01.05.2010: Comments on New policy:  Anyone bellow 18 to be considered a child

01.05.2010: Deciding climate change adaptation and mitigation measures

Comments: First We have read the news on CEGIS report in a Bangla Newspaper and people took stand against the report because they made some imaginary arguments in name of study. And at last, they sent a re-joinder that had been published in the same newspaper. In the re-joinder, they said that the news published which they did not said. But now we found that Taking funds from ADB, they are conciously trying to challenge the IPCC report. Anybody can do it, but why it is from Bangladesh?

The researchers should study more about the global politics before presenting some controversial output on an critical issues!  Anyway, you can publish it in English Newspaper, you have this choice. But I request you to publish it in Bangla Newspaper also, so that gereral people know about your study and eligibility of output. Thanks!

29.04.2010: Comments on পোশাকশ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন: সরকার ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে, সেটা একটা ভাল সংবাদ। তবে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের েেত্র কারখানায় গিয়ে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্ধারণ এবং মালিকপরে সমতা যাচাই করার পদ্ধতিটি বিভ্রান্তিমূলক। একজন শ্রমিকের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্ধারণ করা মনেহয় খুব বেশি কঠিন নয়, এ সম্পর্কিত অনেক তথ্য উপাত্ত আছে। কারখানায় গিয়ে শ্রমিকের নিকট হতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের চিন্তাটি থেকে প্রথমেই সন্দেহের উদ্রেক ঘটে যে, যারা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করতে চান, তারা আসলে গ্রহণযোগ্য একটি সুবিচার দেখাতে চান, সুবিচার করতে চান না। বলাবাহুল্য, এ ধরণের চিন্তাই গার্মেন্টস সেক্টরকে অস্থিতিশীল অবস্থার মুখোমুখি করছে। যে শ্রমিকদের সাাৎকার নেয়া হবে, তা যে সাজানো ঘটনা হবে না, তার নিশ্চয়তা কে প্রদান করবে? অবশেষে মালিকপরে সার্মথ্য নির্ধারণের বিষয়টি হাস্যকর সিদ্ধান্ত। কিভাবে এই সার্মথ্য নির্ধারণ করা হবে, তা যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারাই জানেন। ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য যে বোর্ড গঠন করা হয়েছে, তাহলে তারা কি করবেন? তারা কি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রোপট সম্পর্কে অবহিত নন অথবা তারা কি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের েেত্র অনভিজ্ঞ? যে কোন প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা কিংবা অসৎ পন্থা থাকলে তখনই ঘটনাকে সত্য হিসাবে প্রচার করার একটা কৃত্রিম চিন্তা থাকে, যার প্রমাণ এই হাস্যকর সিদ্ধান্তগুলো। আশাকরছি, বোর্ডের সদস্যবৃন্দ যেকোন রকম কৃত্রিমতাকে পরিহার করে বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রোপট বিবেচনায় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করবেন। এেেত্র মালিকপরে সদস্যবৃন্দকে এবং যারা বোর্ডের বাইরে থেকে সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবেন, তাদের বেশি বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে। মালিকপরে কখনোই ভেবে নেয়া ঠিক হবে না যে, ন্যূনতম মজুরি বিচারহীন ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে পারলেই তাদের স্বার্থ রা হবে। বরং বিচার-বিশ্লেষনের ভিত্তিতে একজন শ্রমিকের বেঁচে থাকার মৌলিক বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে ন্যূনতম মজুরি যতোটা সম্ভব সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারলেই মালিকপই পরোভাবে লাভবান হবেন। দেশের গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশের জন্য মালিকপকেই শ্রমিকের স্বার্থ রায় বাস্তবসম্মত অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

27.04.2010: Comments on Tk. 46.50 cr to fight climate change

26.04.2010: Comments on  হাইব্রিড বীজ ব্যবহার করে হবিগঞ্জে কৃষকেরা প্রতারিত: সংশ্লিষ্ট বীজ কোম্পানীটি যে পরিকল্পিতভাবে কৃষকের সাথে প্রতারণা করেছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ কৃষকরা এগ্রোজি-১ নামে বীজ ক্রয় করে যখন তিগ্রস্থ হয়েছে, তখন তারা বীজটির নাম পরিবর্তন করে সেই একই বীজ বাজারে নিয়ে এসেছে। দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকার ইতিমধ্যে অনেক পদপে নিয়েছে। সেই পদেেপর অংশ হিসাবেই এই বীজ কোম্পানীগুলো তাদের বীজ বাজারজাত করতে পারছেন। কিন্তু কোম্পানীগুলো যদি দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে শুধুমাত্র মুনাফা অর্জনের জন্য বীজ বাজারজাত করেন, তবে কি দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে? উচ্চ ফলন মতার কারণে দেশে হাইব্রিড বীজের আর্বিভাব এবং সরকার এটিকেই গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য, খাদ্যগুণকে কখনোই বিচারে নিয়ে আসা হয়নি, এমনকি মানবস্বাস্থ্যের ওপর এর কি প্রভাব পড়বে, সেটাকেও বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে না। তারপরও যদি কোম্পানীগুলো কৃষকের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নেন, তবে তার বিরুদ্ধে আশু পদপে নেয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; যা শুরুতেই শুরু করা ভাল, দেরী হলে এই চক্রের পাঁকেই সরকার নাস্তানাবুদ হতে বাধ্য। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে, সেটা ঠিক আছে; কিন্তু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের নামে কৃষি ও কৃষক যাতে বাণিজ্যিক হাতিয়ারে পরিণত না হয়, সেদিকে সরকারের নজর দেয়া জরুরি। সেইসাথে উৎপাদিত খাদ্য যাতে অখাদ্য হয়ে মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দেখা না দেয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আশাকরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ বিষয়গুলো ভেবে দেখবেন।

26.04.2010: Comments on ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রম এখনকার চাকরি-উপযোগী নয়: চাকুরিজীবী তৈরী করা শিার মৌলিক উদ্দেশ্য নয়, তাই উচ্চ শিার পাঠ্যক্রম চাকুরি উপযোগি না হওয়াটাই স্বাভাবিক। যদিও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিাকে চাকুরি উপযোগি করার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, যার ঋণাত্বক ফলাফল আমরা ইতিমধ্যেই পেতে শুরু করেছি। প্রতিটি মানুষকে বেঁচে থাকার জন্য কাজ করতে হয়, সেই কাজ অর্থ শুধুমাত্র চাকুরি করা এটা ঠিক নয়; যদিও আমাদের ছাত্রসমাজ ও অভিভাবকদের মধ্যে চাকুরির চিন্তাটাই প্রাধান্য পায়। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিা শেষ করে একজন ছাত্র শুধুমাত্র চাকুরির চিন্তা ছাড়া আর বিকল্প কোন উদ্যোগ গ্রহণ করতে প্রায়শই ব্যর্থ হয়, যা দুঃখজনক। বরং শিা শেষে একজন ছাত্র যাতে নিজস্ব উদ্যোগে কর্মসংস্থানের ত্রে তৈরী করতে পারে, সেই শিা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদান করা উচিত, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত। চাকুরিজীবী তৈরী করার মাধ্যমে বিকলাঙ্গ জাতি উপহার দেয়া হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরত থাকা অতীব জরুরি।

23.04.2010: Comments on জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে বিজ্ঞানীদের নতুন তথ্য: বাংলাদেশ ডুববে না: বাংলাদেশের উপকুলীয় অংশ ডুবে যাবে কি যাবে না – এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার েেত্র শুধূমাত্র তথ্য-উপাত্ত বড় বিবেচ্য বিষয় বলে মনে হয় না, বিবেচ্য বিষয় হলো বৈশ্বিক রাজনীতি। আইপিসিসি ২০০৭ সালে যে রির্পোট প্রকাশ করেছিল, তার ভিত্তিতে গত কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশ একটা বিশেষ অবস্থান তৈরী করে নিতে পেরেছিল; সত্য কথা হলো, বাংলাদেশকে বিশেষ অবস্থায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলনের পর ২০০৭ সালের আইপিসিসি রির্পোটটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরী করা হয়েছিল বলে বিতর্ক উঠেছে। যারা গবেষণা করে বলেছিলেন, বাংলাদেশের উপকুলীয় অংশ ডুবে যাবে এবং যারা বলছেন ডুবে যাবে না, এগুলোর মধ্যেই নিহিত আছে বৈশ্বিক রাজনীতি। সুতরাং এই রাজনৈতিক বিষয়টিকে চিন্তায় না রেখে সত্য খুঁজে পাওয়ার চিন্তা নিজেদের স্বার্থকেই জলাঞ্জলী দেয়ার মূর্খতামাত্র।বাংলাদেশের উপকুলীয় অঞ্চল ডুবে যাক কিংবা না ডুবে যাক, কিন্তু সত্য হলো, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা দায়ী না হলেও তিগ্রস্থ হচ্ছি আমরাই বেশি। তাই যারা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী, তাদের নিকট হতে আমাদের তিপুরণ আদায় করতে হবে। সেেেত্র ২০০৭ সালে আইপিসিসি যে রির্পোট প্রকাশ করেছে, সেটা তিপুরণ আদায়ের জন্য আমাদেরকে একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু আমরাই যখন আরেকটি গবেষণা রির্পোট হাজির করে বলছি, বাংলাদেশ ডুববে না, তখন আমাদের তিপুরণ আদায়ের দরকষাকষিটিও দুর্বল হতে বাধ্য। আমাদের দেশের রাজনৈতিক জ্ঞানহীন গবেষকরা যে গবেষণাটি করেছেন, তারা না বুঝলেও যারা এই গবেষণাটি করিয়ে নিয়েছেন, তারা জানেন বিষয়টি কতটা রাজনৈতিক এবং কেন এই গবেষণা রির্পোটটি প্রকাশ করার প্রয়োজন। আশাকরি, যেকোন গবেষণা পরিচালনা করার েেত্র আমাদের গবেষকগণ এই বিষয়গুলোর দিকেও খেয়াল রাখবেন।এবার আসি গবেষণার বিষয়ে। হিমালয়ের পলি এসে আমাদের উপকুল ভরাট করছে, এটা তাত্ত্বিক বিষয়। এই তাত্ত্বিক বিষয়টি বাস্তবে কতটুকু প্রতিফলিত, সেগুলোর নানা ফ্যাক্টরকে আমাদের বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। প্রথমেই যা দরকার, তাহলো, হিমালয় হতে কতটুকু পলি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, তা পরিমাপ করা। গবেষণা করার প্রয়োজন নেই, সাধারণ পর্যবেণ দিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশের নদীগুলো শুকিয়ে ক্রমাগত বালুচরে পরিণত হচ্ছে। সেই বালুচর দিয়ে কতটুকু পলি প্রবাহিত হয়ে বঙ্গপোসাগরে পড়ছে, তা উপকুলীয় অঞ্চলকে ভরাট করার জন্য যে যথেষ্ঠ নয়, তা বলা যায়। সেইসাথে আমাদের উজানে তিস্তা নদীর ওপর ভারত কয়েকটি বাঁধ তৈরী করেছে। হিমালয়ের পলি এসে যদি আমাদের উপকুল ভরাট করতো, তবে সেই বাঁধগুলোর সামনে এবং বাঁধের সংযোগ কৃত্রিম জলপ্রবাহে অনেক আগেই পলি জমে তিস্তা নদী সমতল ভূমিতে পরিণত হতো। গুগলি আর্থ হতে যদি স্যাটেলাইট ছবি নিয়ে বাংলাদেশের উপকুলীয় অংশের বিশ্লেষণ করা যায়, তবে দেখা যায় শ্রীলংকা-মালদ্বীপ-আন্দামান-নিকোবর-মালয়েশিয়া জুড়ে একটি দীর্ঘ সমুদ্ররেখা বিদ্যমান যা স্পষ্ট দেখা যায়। সেই সমুদ্ররেখার মধ্যে গভীর সমুদ্রের আভাস আছে বাংলাদেশের উপকুলীয় অংশে। সামদ্রিক স্রোতকে যদি এখন বিশ্লেষনে নিয়ে আসা যায়, তবে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র রেখা ক্রমাগত আমাদের উপকুলের দিকেই এগিয়ে আসবে এবং আমাদের উপকুল অংশ ক্রমাগত সমুদ্রে বিলীন হবে। এগুলো সবকিছুই গবেষণার বিষয়। আশাকরি, গবেষকগণ হিমালয়ের পলি জমার বিষয়টিকে যেমন গুরুত্ব দিয়েছেন, তেমনি সমুদ্রস্রোতের বিষয়টিকেও গুরুত্ব প্রদান করবেন, এটি আমরা নিশ্চয়ই প্রত্যাশা করতে পারি। নিশ্চয়ই আমরা নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতে চাই না। তাই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা, কোন গবেষণা পরিচালনা করার পূর্বে সেই গবেষণাটি পরিচালনা করার প্রয়োজনীয়তার রাজনীতিটিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা।সম্প্রতি ৩ ইডিয়ট নামে একটি হিন্দী সিনেমায় নায়ক তার ৩ বন্ধুর নাম একসাথে লিখে জ্ঞানগরিমায় মহিমান্বিত শিক-ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করেছিল, এর অর্থ কি? শিক ছাত্র সবাই ডিকশনারী ঘাটতে শুরু করলেন, অর্থ বের করতেই হবে। সবাই গলদঘর্ম অর্থের খোঁজে। কেউ চিন্তা করলেন না, এটি কোন শব্দ হতে পারে না। অবশেষে নায়ক প্রকাশ করলেন, আসল সত্য। গবেষণা রির্পোটটির ওপর বিশেষজ্ঞ মন্তব্য দেখে আমার ৩ ইডিয়টের এই ঘটনাটি খুব বেশি মনে পড়ছিল। তাই এখানে এটি তুলে দিলাম। আশাকরি, আমাদের বিশেষজ্ঞগণ ডিকশনারী মুখস্ত কথাবার্তা বলবেন না।

31.03.2010: Comments on কারমাইকেল কলেজ: মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণ শেষ হবে কবে: অনেকদিন পর আবার পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। শব্দকণ্ঠের উদ্যোগে নির্মিত ভার্স্কর্যের নামটি ছিল ‘প্রজন্ম’। অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আমাদের দেশকে স্বাধীন করার প্রত্যয়ে যারা আত্মহুতি দিয়েছিল, সেইসব শহীদের স্বপ্নকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া হবে, তারই স্বারক বহন করছিল ‘প্রজন্ম’। আমরা যখন ভাস্কর্যটির নামকরণ করি, ঠিক তার কয়েকদিন পরেই আমরা দেখতে পেলাম, ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সন্তানদের একটি সংগঠন তৈরী হলো ‘প্রজন্ম ৭১’। আমরা খুবই খুশী হয়েছিলাম। যদিও আমাদের মধ্যে একটা লুকায়িত চিন্তা ছিল আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধকালীন কিংবা মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী সময়ে যারা জন্মগ্রহণ করেছে, তাদের ‘প্রজন্ম ৭১’, ‘প্রজন্ম ৭২’, ‘প্রজন্ম ৭৩’,… নামে একটি প্রজন্মভিত্তিক সংগঠণ গড়ে তুলবো। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পরবর্তী প্রজন্মের পর প্রজন্মে ছড়িয়ে দেয়া হবে, সবাইকে জানানো হবে, কিভাবে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কারা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে, কারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ভুলুণ্ঠিত করতে চেয়েছে। কিন্তু যে ভাস্কর্যকে ঘিরে সেই স্বপ্ন, সেই ভাস্কর্যকেই যখন আমরা গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলাম, তখন সেই চিন্তা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বেই মৃত ঘোষণা হলো স্বাধীন এই বাংলাদেশের মাটিতে। প্রথম অনুভব করলাম আমরা, দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ সমাপ্ত হয়নি এখনো।‘স্বাগ্নিক শপথে ভাস্বর স্বাধীনতা’ শব্দকণ্ঠের আবৃত্তি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কথাই বলতে চেয়েছিলাম আমরা। শব্দকন্ঠ’র এই আহ্বানের মমার্থ অনুভব করেছিল স্বাধীনতা-বিরোধী জামায়াত শিবিররা। তাই তারা একের পর এক আমাদের সহকর্মী বন্ধূ-বান্ধবদের আঘাতের পর আঘাত করতে শুরু করেছিল। কি অসীম সাহসে তখন সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল আমাদের শব্দকন্ঠের বন্ধুরা। ছাত্রীদের কমনরুমে তখন ছিল ছাত্রশিবিরের ভাস্কর্যবিরোধী তৎপরতা। রুফিনাজ লিরা, আফসানা মুন্নী, মিতা, আরো অনেকে এই মূহুর্তে যাদের নাম মনে পড়ছে না, তারা শিবিরের নৃশংসতাকে উপো করে ভাস্কর্যবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে তৎপর ছিলেন ছাত্রীদের কমনরুমে। সেইজন্য রাস্তায়-ঘাটে তাদের যেভাষায় শিবিরের ক্যাডাররা আক্রমন করেছিল, তা হয়তো অনেক আঘাতের চেয়েও নির্মম ছিল। কিন্তু পিছুপা করতে পারেনি আমাদের সেই বোনদের। ভাস্কর্য নির্মাণের সাথে জড়িত থাকার কারণে মোজাহার স্যারের বাসায় রাতের বেলায় অবিরত ঢিল ছোড়া হতো। সেই ঢিলের উৎস খুঁজতে রাতের পর রাত প্রহরায় আমির হোসেন বাদশা, আবু জাবের মিঠূ সহ আমরা কত রাত বাইরে ধানেেত বসে মশার কামড় খেয়েছি, সেই সব ঘটনা প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম। ভাস্কর্য তৈরীর অপরাধে ছাত্রলীগের আবু জাবের মিঠুকে মেরে তার দাঁত উপরে ফেলা হয়েছিল। মিঠুর বাবা আমাদের শ্রদ্ধেয় সোবহান স্যারের বাসায়ও হামলা করা হয়েছিল। ভাস্কর্য তৈরীর দৈনিক মজুরিতে নিয়োজিত শ্রমিক আবু মিয়া, যে থাকতো শিবির অধ্যুষিত এলাকায়, কিন্তু কোথা থেকে যেন একটা গেঞ্জি সংগ্রহ করেছিল, যেখানে বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপর লেখা ছিল ‘আই লাভ ইউ, বাংলাদেশ’। সেই গেঞ্জি গায়ে দিয়ে আবু মিয়া রাতের পর রাত ভাস্কর্য পাহারা দিতো। কোন ভয়-ডর কাজ করেনি তার মধ্যে। আবু মিয়ার বাড়ীতেও হামলা করেছিল শিবির ক্যাডার রা। কিন্তু আবু মিয়া পিছু পা হয়নি। মজুরির বিনিময়ে নিয়োজিত আবু মিয়ার এই অকুতোভয় সাহসিকতা আমাদের চিন্তিত করতো। কারণ যেকোন সময় আবু মিয়াকে হত্যা করতে পারে শিবির ক্যাডাররা। আমরা তাকে কাজ হতে ইস্তফা দিতে বলেছিলাম, কিন্তু আবু মিয়া ইস্তফা দেয়নি। বরং বলেছিল, কলেজের এতো ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া ছেড়ে যেভাবে ভাস্কর্য তৈরীর জন্য নিজেরাই ইট ভাঙছে, জোগালির কাজ করছে, সেখানে আমার জীবনটা যদি চলেও যায়, তাও সার্থক হবে; তবুও এই ভাস্কর্য তৈরী না করে আমি যাব না। কোথায় আছে সেই আবু মিয়া? আজ জানতে খুব ইচ্ছে করে। এভাবে কতো ঘটনা ঘটেছে অন্তরালে। তার হিসাব রাখাও কঠিন। কুখ্যাত গোলাম আযমের জনসভা পন্ড করে দেয়া, প্রয়াত কবি শামসুর রাহমানের সর্ম্বধনা দিতে গিয়ে শহরের সংস্কৃতি কর্মী, ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট এবং ছাত্রদলের একটি অংশ কিভাবে শহরকে ঘিরে সপ্তাহব্যাপি নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরী করেছিল, সেগুলোও প্রায় হারিয়ে গেছে স্মৃতির অন্তরালে। কিন্তু আজও সেইসব ঘটনার মামলার আসামী হয়ে আজও কোর্টের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে অনেককে। শান্তকে ধন্যবাদ, নিকের জন্য হলেও আবার পুরনো দিনে একবার ফিরিয়ে নেয়ার জন্য।

03.01.2010: Comments on নারী ইউপি সদস্যকে হেনস্তা করেই চলছেন চেয়ারম্যান: কোহিনুর বেগম একজন ইউপি সদস্য। একজন নারী এবং সেইসাথে তিনি দরিদ্র। তাই অবহেলার শিকার হচ্ছেন, সেটা আন্দাজ করা যায়। রাজশাহীর সংবাদদাতাকে আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ সংবাদটি পাঠানোর জন্য এবং প্রথম আলোকেও ধন্যবাদ সংবাদটি প্রকাশ করার জন্য। গ্রামে-গঞ্জে প্রতিনিয়ত অনেকরকম বৈষম্য ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, যেগুলো বেশিরভাগ সময়ই মানুষের অগোচরে থেকে যায়। একজন স্থানীয় পর্যায়ের সংবাদদাতাই সেখানে একমাত্র ভরসা, কিন্তু বিভিন্ন কারণে স্থানীয় সংবাদদাতাগণ সেই ভরসার জায়গাটা ধরে রাখতে বরাবরই ব্যর্থ হন। সেইজন্য স্থানীয় সংবাদদাতাকে ধন্যবাদ জানানো।কোহিনুর বেগমকে যে ইউপি সদস্য হিসাবে চেয়ারম্যান সাহেব মেনে নিতে পারছেন না, তা সংবাদে প্রকাশিত বক্তব্য হতেই বোঝা যায়। তাই আমাদের উচিত, কোহিনুর বেগমের পাশে দাঁড়ানো। অন্ততঃ কোহিনুর বেগমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা একটা উদাহরণ তৈরী করতে পারি, যা অন্যদের উৎসাহিত করবে। প্রথম আলোর নিকট হতে প্রত্যাশা, কোহিনূর বেগমের আপডেট যেন প্রতিনিয়ত প্রকাশ করা হয়। সংবাদটি প্রতিনিয়ত প্রকাশ পেলে চেয়ারম্যান সাহেব চাপ অনুভব করবেন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীও তাদের অধিকার বুঝে নিতে সক্রিয় হবেন।

02.07.2008: Debt Burden Eating Up MDGs (press release, pdf)

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s