4 May: Asian Day Against Privatisation of Essential Services


10 Citizen Group organised human chain in front of National Press Club, Dhaka on 04 May 2010 to mark Asian Day against Privatisation of Essential Services. The Asian Countries like Bangladesh, India, Pakistan, Nepal observed the day together in respective countries.

——————————————————————————————————————————————–

—————————————————————————————————————————————–

——————————————————————————————————————————————-

 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

সেবা খাত বেসরকারীকরণ জনজীবনে রাষ্ট্র কর্র্তৃক মানবাধিকার লংঘনের পরিবেশ তৈরী করবে

04/05/2010 05:59:00 Rofiqul Islam Pothik  The DhakaNews24

৪ মে সকাল ১১ টায় ১০টি অধিকার ভিত্তিক সংগঠন আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এডিবি’র কর্তৃক সেবাখাতকে বেসরকারিকরণে চাপ সৃষ্টি করার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। সংগঠনগুলো

ঢাকা নিউজ 24 ডট কম, ডেস্ক ( ৪ মে ২০১০);

৪ মে সকাল ১১ টায় ১০টি অধিকার ভিত্তিক সংগঠন আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এডিবি’র কর্তৃক  সেবাখাতকে বেসরকারিকরণে চাপ সৃষ্টি করার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। সংগঠনগুলো হচ্ছে; এএমকেএস, ডোরা, ইক্যুইটিবিডি, লীড ট্রাস্ট, লা-ভিয়া ক্যাম্পেসিনা- বাংলাদেশ, এমএফটিডি, অনলাইন নলেজ সেন্টার, পথিকৃৎ, প্রান্তিক, প্রদীপ, অর্পণ এবং আরসিএসবি।

ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি) এর নেতৃত্বে এই এলায়েন্স জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে  উজবেকিস্তানের থাকসিনে চলমান এডিবি’র ৪৩তম বার্ষিক পরিচালনা পর্ষদ এর সভায় এশিয়া অঞ্চলে পানি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য সেবাখাত  বেসরকারীকরণের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে। এশিয় অঞ্চলের এই অধিকার ভিত্তিক সংগঠন গুলো ৪ মে’ কে সেবা খাতের বেসরকারীকরণ বিরোধী এশিয়া দিবস ঘোষণা করে এবং সেবা খাতের বেসরকারীকরণের চাপ সৃষ্টি করার জন্য এডিবি’র ভূমিকার প্রতিবাদ জানায়। এই প্রতিবাদ কর্মসূচি একইভাবে ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, ভারত এবং পাকিস্তানেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইক্যুইটিবিডি’র সেক্রেটারী জেনারেল মোঃ সামসুদ্দোহা তার বক্তব্যে বলেন যে, এডিবি এবং এর সহযোগী আন-র্জাতিক প্রতিষ্ঠান সমূহ উন্নয়নশীল দেশসমূহের সেবা খাত বিশেষ করে স্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ইত্যাদি বেসরকারীকরণের জন্য ক্রমাগতভাবে রাষ্ট্রকে চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি আরো বলেন যে, এডিবি’র ভূমিকা হচ্ছে সেবা খাত সমূহকে বেসরকারীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ তুলে আনা সহ মুনাফা তৈরী করা। এডিবি ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকারকে শহরাঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে ৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে যার প্রধান শর্ত হচ্ছে শহরসমূহে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বেসরকারী ব্যবস্থায় ছেড়ে দেওয়া। ফলে পানির মূল্য বর্তমানের চাইতে প্রায় ২০০% বৃদ্ধি পাবে।

ইক্যুইটিবিডি’র সদস্য  সৈয়দ আমিনুল হক বলেন যে, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে লক্ষ লক্ষ দরিদ্র মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে এবং তারা বসি-তে বাস করে যাদের নিরাপদ পানির কোন অভিগম্যতা বা অধিকার নেই। অথচ এডিবি’র উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে শহরাঞ্চলে নিরাপদ পানি পাওয়ার ক্ষেত্রে দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন হবে যেটা রাষ্ট্র কর্তৃক মানবাধিকার লংঘন করার সামিল।

ইক্যুইটিবিডি’র সদস্য মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন যে, কৃষি খাতের বাণিজ্যিকরণের ফলাফল আমরা দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের কৃষকদের বীজের জন্য বহুজাতিক কোম্পানীগুলোর উপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যে কারণে উৎপাদন খরচ ও বেড়ে যাওয়াসহ নিম্নমানের বীজের কারণে জাতি আজ ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। কৃষিখাত একটি অলাভজনক খাতে পরিনত হয়েছে এবং কর্মসংস্থান ব্যাপক ভাবে হ্রাস পেয়ে বেকারত্বের সৃষ্টি হয়েছে।

লীড ট্রাস্ট এর ফিরোজ আহমেদ বলেন যে, আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শুরু থেকেই দরিদ্র দেশগুলোর উপর বিভিন্ন শর্ত বিশেষ করে বেসরকারী করণের শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং ঋণ নিতে বাধ্য করছে। এডিবি নিজেই বলে থাকে দারিদ্রতার অন্যতম কারণ হচ্ছে সেবাখাতে মানুষের অভিগম্যতা না থাকা। অথচ আমাদের মতো দরিদ্র দেশে তাদের কার্যকলাপের ফলে সেবা খাতে দরিদ্র মানুষের সহজ অভিগম্যতা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। সত্যিকর অর্থে বাংলাদেশে এডিবির আর্থিক সহযোগীতা  কখোনই দরিদ্র দুরীকরণের উদ্দেশ্যে হয় নাই এবং তাদের অর্থায়নের প্রেক্ষাপটই হচ্ছে একটি অমানবিক দৃষ্টি ভংগী ভিত্তিক যা দারিদ্র সৃষ্টি করছে।

পথিকৃৎ এর সভাপতি ফয়েজ আহমেদ বলেন যে, আমাদের দেশে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় দরিদ্র দুরীকরণের হার খুবই হতাশা ব্যাঞ্জক। বাংলাদেশে এখনও ৪১% লোক দরিদ্রসীমার নিচে বাস করে। এডিবি’র মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহের কুটকৌশল এমনই যে, তারা আমাদের দেশের সেবা খাতের উন্নয়নে কোন সহযোগীতাতো করেই না বরং বিভিন্ন শর্তারোপের মাধ্যমে সরকারকেও কোন প্রকান বিনিয়োগের সুযোগ দেয়না। যে কারণে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশসমুহে দারিদ্রতা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s