Daily Household Market Monitor


এক হালি ডিমের দাম ৪২ টাকা (10 September 2012): এক হালি ডিমের দাম এখন ৪২ টাকা। তা ফার্মের লাল ডিম। সাদা ডিম দরদাম করলে ৪০ টাকা হালিতে কেনা যায়। আর এই দাম শুধু কাওরানবাজার, মহাখালী ও নিউমার্কেটের মতো বড় বড় বাজারগুলোতে রাখা হচ্ছে। পাড়া-মহল্লার দোকান-গুলোতে দাম আরো বেশী। এছাড়া দেশি মুরগীর ডিমের সরবরাহ নেই।  হাঁসের ডিমের সরবরাহ আছে। হালি বাজারভেদে ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা।


বেড়েছে ডাল-আটার দাম, কমেছে লবণের
৩১ আগস্ট ২০১২: শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, মোহাম্মদপুর, গুলশান ও নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন পাইকারি ও কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, মশুর ডাল কেজিপ্রতি ৫ টাকা করে বেড়েছে।

গত সপ্তাহের কেজিপ্রতি ১২০ টাকা থেকে ১২৫ টাকার মশুর ডাল এখন বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা থেকে ১৩০ টাকায়। গত সপ্তাহের প্রতি কেজি ১০০ টাকার বুটের ডাল এখন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা থেকে ১০৮ টাকা। তবে খেসারি ছোলা ও মুগ ডাল গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। চাল ও চিনির দাম স্থিতিশীল আছে। চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫৪ টাকা থেকে ৫৫ টাকা। প্যাকেটজাত আটার দাম কেজিপ্রতি ৪ টাকা থেকে ৫ টাকা করে বেড়েছে। দুই কেজি ওজনের প্যাকেটজাত ৬৭ টাকার আটা এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ৭১ টাকা। মোটা ও চিকন সব ধরনের লবণের দাম কেজিপ্রতি ২ টাকা করে কমেছে। প্যাকেটজাত ৩২ টাকার লবণ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা প্রতিকেজিতে। মোটা লবণ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৭ টাকা দরে। গত সপ্তাহের ৪৬০ টাকার জিরা বাজারে কেজিপ্রতি ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ রসুনের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে একই আছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৩ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩ টাকা। প্রকারভেদে প্রতি কেজি দেশি রসুন ১২০ টাকা এবং চায়নিজ রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৬৫ টাকা থেকে ১৭০ টাকা। ডিমের হালি দেশি ডিম ৪০ টাকা, হাঁসের ডিম ৪০ টাকা, সাদা ডিম ৪০ টাকা এবং লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। গত সপ্তাহের কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকার বরবটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি টমেটো ৮০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, মূলা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা ও শসা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি। তমে মাংসের দাম কমেছে চাঁদরাতের তুলনায়। প্রতি কেজি গরুর মাংস ছিল ২৯০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা। এখন বাজারে গরুর মাংস ২৭৫ টাকা থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪২০ টাকা দরে। মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একেক বাজারে বিক্রি হচ্ছে একেক দামে। নিউমার্কেট কাঁচাবাজারে দেখা গেছে,  শিং মাছ প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা প্রতি কেজি। দেশি মাগুর ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০ টাকা, কই মাছ ২০০ টাকা ও গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি। ৪ থেকে ৫টায় কেজি গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা প্রতি কেজি। আবার ১৫টা থেকে ১৬টায় কেজি এমন গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা। ৮ কেজি ওজনের বড় রুই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা দরে। তবে কাঁচাবাজারে বিক্রেতা এবং ক্রেতারা আশঙ্কা করছেন, ভোজ্যতেলের দাম স্থির থাকলেও বোতলজাত এবং খোলা সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম আগামী সপ্তাহে বাড়তে পারে।

চাল ডাল আটা তেল চিনিকে জাতীয় পণ্য ঘোষণার সুপারিশ, ২০ এপ্রিল ২০১১: চাল, ডাল, আটা, তেল, চিনিজাতীয় পণ্য ঘোষণা করে এগুলোর দাম স্থিতিশীল রাখতে ভর্তুকি, সহজ শুল্ক নীতি প্রণয়নসহ সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে সরকারের কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সমুহের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিগণের পক্ষ থেকে সুপারিশ   করা হয়েছে।

চাল ডাল তেল চিনি আটা ময়দা পেঁয়াজ ও সবজির দাম বেড়েছে, ২৫ ডিসেম্বর ২০১০: বছরের শেষে এসে বাজার কিছুটা টালমাটাল হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে। একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজির কারণেও বাজার অস্থির হয়ে উঠছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সিন্ডিকেট গঠন বা অবৈধ পন্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
অনেক দিন ধরেই চালের দামের বাড়তি প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ভোজ্যতেলের দাম বেঁধে দিয়েও নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। এক মাসের ব্যবধানে চাল ও আটা কেজিতে বেড়েছে চার টাকা। তিন দিনে পেঁয়াজ কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ভোজ্যতেল ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়েছে। চিকন চাল ৪৮ থেকে ৫৫ এবং মোটা চাল ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর কারওয়ানবাজারে গতকাল মিনিকেট চাল খুচরা বিক্রি হয় ৪৬-৪৭ টাকা, পাইজাম ৪০-৪২ টাকা, লতা (২৮) ৪২-৪৪ টাকা, নাজির ৫১-৫৫ টাকা, স্বর্ণা ৩৮-৩৯ টাকা, পারিজাত ৩৯-৪০ টাকা, হাসকি ৩৮-৩৯ টাকা, মোটাচাল ৩৬-৩৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ানবাজারের সামাদ রাইস এজেন্সির হাজী সামাদ বলেন, মোকাম থেকে চাল ছাড়ছেন না মিল মালিকরা। ফলে সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। নতুন বছর ও নতুন মাসে চালের চাহিদা আরও বাড়বে। তখন দাম কেজিতে আরও দু’এক টাকা বাড়তে পারে বলে তিনি জানান। এদিকে সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম মানছেন না ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত
দামের চেয়ে বেশি দামেই ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে। সরকার খোলা সয়াবিনের দাম লিটারপ্রতি সর্বোচ্চ ৯০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও গতকাল রাজধানীসহ সারাদেশে ৯২ থেকে ৯৮ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পামঅয়েলও বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে এক থেকে দুই টাকা বেশিতে বিক্রি হয়। গতকাল থেকে বাজার মনিটরিংয়ের কথা থাকলেও কারওয়ান বাজার, মিরপুর ১১ নম্বর, ছয় নম্বর, মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচাবাজার, হাতিরপুল কাঁচাবাজারে ক্রেতা বা বিক্রেতারা কোনো ভ্রাম্যমাণ বাজার পরিদর্শককে দেখেননি বলে জানান। দু’দিন দাম বাড়ার পর গতকাল পেঁয়াজের ঝাঁঝ কিছুটা কমেছে। ৮৫ থেকে ৯০ টাকা দাম ওঠে গেলেও গতকাল তা ৮০ টাকায় নেমেছে। মসলার মধ্যে দেশি আদা কেজি প্রতি ১৫০ (পুরান) টাকা, নতুন ১শ’ টাকা, চায়না ১২০-১৪০ টাকা, রসুন ২শ’ টাকা, মসুর ডাল ১১৪ টাকা, শুকনা মরিচ ১৪০-১৫০ টাকা, হলুদ ৩২০ টাকা, ছোলা ৪৫ টাকা, প্রতি লিটার সয়াবিন ১০৮-১১০ টাকা, সরিষার তেল লিটার ১৬২ টাকা, চিনি ৫৪-৫৬ টাকা, জিরা প্রতি কেজি ৪শ’ টাকা, এলাচ ২৯শ’ টাকা, মোটাদানা এলাচ ৩ হাজার টাকা, দারচিনি ২২০ টাকা, আটা ৬৬ টাকায় (২ কেজি প্যাকেট) বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বাজারে প্রতি কেজি করলা ৪০ টাকা, ফুলকপি ৩০-৩৫ টাকা, বাঁধাকপি ২০-২৫ টাকা, পেঁপে ১০ টাকা, শশা ২৫ টাকা, আলু ২০-২২ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, ধুন্দল ৩০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, মুলো ১৮ টাকা, গোল বেগুন ৩৫-৪০ টাকা, মরিচ ৪০ টাকা, ঝিঙা ৩৫ টাকা, টমেটো ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি ব্রয়লার প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, দেশি মুরগি ২০০-২২০ টাকা, গরুর মাংস প্রতি কেজি ২৪০-২৬০ টাকা, খাসি ৩৭০-৪০০ টাকা, রুই মাছ প্রতি কেজি ২০০-২২০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হয়।
আজ থেকে ওএমএস চালু : চালের বাজারের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকার আজ থেকে আবার ওএমএস কর্মসূচির
মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে চাল বিক্রি করবে। ঢাকা মহানগর, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও সাভার এলাকায় ট্রাকে করে খোলাবাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) হবে। প্রতি কেজি চালের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ টাকা।
আগামী জানুয়ারি থেকে সারাদেশে প্রায় ১১ লাখ ২০ হাজার ফেয়ার প্রাইস কার্ডের মাধ্যমে চাল বিক্রি করা হবে। প্রতি কার্ডধারী প্রতি কেজি ২৪ টাকা দরে একসঙ্গে ২০ কেজি চাল কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে সরকার দেশের প্রায় তিন লাখ চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি কর্মচারী ও গ্রামপুলিশদের জন্য রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে চাল বিক্রি করবে। দরিদ্রপরিবার ও নিম্ন আয়ের লোকজন যেন কম মূল্যে চাল কিনতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকার এ কর্মসূচি নিয়েছে।

চাল ডাল তেল ও আটার দাম আরেকদফা বেড়েছে, ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯: চাল, ডাল ও ভোজ্যতেলসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গতকাল আরেকদফা বেড়েছে। সরকারের কোনো উদ্যোগই দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেনে ধরতে পারছে না। বেড়েই চলছে। সরকারি বন্ধের দিন শুক্রবার প্রতি কেজি সরু ও মোটা চাল কেজিতে ২ টাকা থেকে ৩ টাকা, মসুর ডাল কেজিতে ১০ টাকা, তেল ৮ টাকা, পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। এমনকি শীতের শাক-সবজির দাম কমবে এমনটা আশা করা হলেও তা হতাশায় পরিণত হয়েছে। বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম বাড়ার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় ক্রেতারা সরকারের বাজার মনিটরিং বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
গতকাল রাজধানীর বাজারগুলোতে ভালো মানের নাজিরশাল, মিনিকেট ৪৫ টাকা, সাধারণ মানের ৪০ টাকা, পাইজাম ৩৫ টাকা, মোমপলিশ মিনিকেট ৩৭ থেকে ৩৯ টাকা, চিকন ইরি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ টাকা, স্বর্ণা ২৭ থেকে ২৮ টাকা, পারি ২৮ থেকে ৩০ টাকা, বিআর-২৮ ও ২৯ ২৯ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল (দিনাজপুর) ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা এবং নাজিরশাইল (সাভার) ৩৮ থেকে ৩৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পোলাওর চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৪ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। সব চেয়ে দাম বেড়েছে মসুর ডালের। ঈদের আগে প্রতি কেজি মসুর ডাল ১১০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গতকাল তা বেড়ে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। শীতের মৌসুমী পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ফুলকপি প্রতি পিস ১৫ থেকে ২০ টাকা। প্রতি কেজি বরবটি ৩০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শসা ও পটলের দাম বেড়েছে। গরু ও ছাগলের মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারভেদে মাঝারি সাইজের দেশি মুরগি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, বড় সাইজের মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। ফার্মের মুরগি ৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
এদিকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পরস্পরকে দায়ী করেছেন। খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পাইকাররা দাম বাড়ানোর কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অপরদিকে পাইকারি বিক্রেতারা বলেছেন, পাইকারি বাজারে পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত আছে। দামও আগের মতো। খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, সরকারের যথাযথ মনিটরিংয়ের অভাবে বিক্রেতারা দাম বাড়াচ্ছেন। পণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ক্রেতারা।

Daily Household Market Monitor

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s